
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু বলেছেন, আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার মাধ্যমে এই জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো ও বাল্যবিবাহ মুক্ত করা হবে। এই জেলা হবে দেশের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলোকিত লালমনিরহাট দেখার জন্য ১৯ নভেম্বর লালমনিরহাট আসবেন।’
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে পাটগ্রামের সাহেবডাঙ্গা মাঠে আলোকিত লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলা ও পৌর সভা পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌর সভায় অ্যাকশন কমিটি গঠন করা হয়। মোট দুই হাজার ৭৯০ জন সদস্য নিয়ে ওয়ার্ড এবং উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিটি কমিটির সদস্য সংখ্যা ৩১ জন। এই কমিটি মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কাজ করবেন। প্রয়োজনে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তবে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারবেন না।’
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, এর সাথে জেলা থেকে শুরু করে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও, স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, ইমাম, ছাত্র, সাংবাদিক, খেলোয়াড়সহ সাংস্কৃতিক কর্মীরা যুক্ত রয়েছেন। গত ৪ জুলাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আলোকিত লালমনিরহাটের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্ত এর শুভ সূচনা হয়েছিল ২০০৩ সালে। চার মাসের মাথায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসছেন এই প্রকল্পের কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন দেখতে। তিনি এর ওপরে একটি ডকুমেন্টারি তৈরীর নির্দেশ দিয়েছেন। এই প্রকল্প সারাদেশে কার্যকর করা হবে।’
২০২৭ সালে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে জানিয়ে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘চীন, ভারত, নেদারল্যান্ডসসহ অনেক দেশ এই প্রকল্পে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’
সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার মান তুলে ধরে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, ‘পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করলেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সফল হয় না, যদি সেই প্রতিষ্ঠানের মাঠে মাদক সেবন করা হয়।’
তিনি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবীদের আদর্শ উন্নত চরিত্র নীতিবোধ দিয়ে সমাজ পূনর্গঠনে কাজ করার দিকনির্দেশনা দেন।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার, ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








