
গাজীপুরে অসচ্ছল ও দুস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রাথমিক পর্যায়ে ৭৩ জন নারীর হাতে এসব সেলাই মেশিন তুলে দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ নারীকে সেলাই মেশিন দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি।
জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো: শওকত হোসেন সরকার ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মোবারক হোসেন।
এমপি এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপি সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তিনি দেশের মানুষের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই মানবিক ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় অসহায় নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
সিটি প্রশাসক মো: শওকত হোসেন সরকার বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। অসচ্ছল নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে তারা পরিবারের আয়ে অবদান রাখতে পারবেন। এ ধরনের উদ্যোগের পাশাপাশি তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম করা প্রয়োজন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পরিষদের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন। সেলাই মেশিন পেয়ে নারীরা ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। এতে তাদের পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে এবং তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন।
বক্তারা বলেন, বিএনপি সরকার সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এসব উদ্যোগ সফল করতে সবাইকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করতে হবে।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মোবারক হোসেন জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে অবহেলিত, অসচ্ছল ও দুস্থ ৭৩ জন নারীকে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৫০০ নারীকে এই সহায়তার আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগী নারীরা ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাদের পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি ও স্বাবলম্বী হওয়ার পথ তৈরি হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








