
কুমিল্লায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু-সহনশীল মৎস্য ও জলজ চাষ উন্নয়নে সার্কের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমিতে (বার্ড) ‘দক্ষিণ এশিয়ায় জনগোষ্ঠীভিত্তিক জলবায়ু-সহনশীল জলজ চাষ উন্নয়ন’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও শিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রমের (শিশুক) যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
এ সময় বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা বলেন, জলজ প্রতিবেশ ও গ্রামীণ জীবিকা সুরক্ষায় টেকসই চাষ পদ্ধতি এবং জনগোষ্ঠীভিত্তিক উদ্যোগ বাড়াতে হবে।
কর্মশালায় বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। তারা বন্যা, খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল ওহাব জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফিশারিজ) ড. মো: শরীফুল ইসলাম দেশভিত্তিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও জনগোষ্ঠীভিত্তিক উদ্যোগ নেয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। শিশুকের নির্বাহী পরিচালক সাকিউল মিল্লাত মোরশেদ মৎস্যচাষিদের ক্ষমতায়ন ও জনগোষ্ঠীর অংশ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো: লতিফুল ইসলাম জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ভূমিকা তুলে ধরেন।
সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক তানভীর আহমেদ তরফদার এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের গভর্নিং বোর্ডের সভাপতি শবনম শিবাকোটি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।
সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. গোলাম মাহবুব টেকসই জলজ চাষ উন্নয়ন ও জীবিকা সুরক্ষায় গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
কর্মশালায় জলবায়ু ঝুঁকি পর্যালোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও দেশভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের সফল ‘দাউদকান্দি-কুমিল্লা প্লাবনভূমি মডেল’ পরিদর্শন করবেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








