
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামারগ্রামের বেগম শাহানারা একাডেমি থেকে পানির মোটর ও সোলার ব্যাটারি চুরির ঘটনায় ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ বলছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্থানীয় ভাঙারির দোকানগুলোতে নজরদারি চলছে। দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে কামারগ্রামের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার (১১ অক্টোবর) থানায় মামলা হলেও জড়িত ব্যক্তিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
শনিবার বিকেলে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সোহেল সারোয়ার বলেন, ‘মামলাটি নিয়ে আমাদের কাজ চলছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও স্থানীয় ভাঙারির দোকানগুলোতে আমরা নজরদারি করছি। দ্রুতই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলফাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন বাবু বলেন, ‘চুরির ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন পুলিশের টার্গেটে রয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানটির এক অভিভাবক সদস্যের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১১ অক্টোবর) আলফাডাঙ্গা থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। চুরির সময় দুর্বৃত্তরা প্রতিষ্ঠানের তিনটি কক্ষের তালা ও দরজার ছিটকিনি ভেঙে একটি পানির মোটর ও একটি সোলার ব্যাটারি নিয়ে যায়।
প্রতিষ্ঠানটির একাধিক অভিভাবক সদস্য জানান, বেগম শাহানারা একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিশুদের বিনা বেতনে পাঠদান করে আসছে। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটি থেকে টিউবওয়েল, ফ্যান, মোটর ও সোলার ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও চুরি বন্ধ হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাতে প্রায়ই কিছু কিশোরকে বিদ্যালয় এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। রাত ১০টা থেকে ১১টার পর বিদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকে মাদক সেবনের ঘটনাও ঘটে বলেও তাদের দাবি।
বারবার চুরির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবক সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








