বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, দুর্গাপূজা, মতবিনিময় সভা, ধর্মীয় সম্প্রীতি
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নয়া দিগন্ত

ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

Advertisement

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নগরীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং সামাজিক ঐক্য জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের মতামত ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ শান্তিপূর্ণ সমাজের অন্যতম ভিত্তি। সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

ময়মনসিংহ জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শংকর সাহা বলেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতে হবে।’ 

সামাজিক শান্তি বজায় রাখতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমির মো: আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল, সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির কামরুল হাসান মিলন, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির আসাদুজ্জামান সোহেল, সেক্রেটারি শহীদুল্লাহ কায়সার, সহকারী সেক্রেটারি আনোয়ার হাসান সুজন ও মাহবুবুল হাসান শামীম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আল হেলাল তালুকদার।

সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগদীস সরকার, নারায়ণ চন্দ্র দে, দিলীপ লাল সাহা, মানিক সরকার, অ্যাডভোকেট মিলন কান্তি সরকার, অ্যাডভোকেট তপন দে, অ্যাডভোকেট প্রশান্ত দাস চন্দন ও প্রণব সাহা।