
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে রাসেল আহমদ শাহ (২৩) হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাসহ জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা স্থানীয় সিলাম চকবাজার এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।
মুরব্বি মোতওয়াল্লী শাহ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও শাহ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিলাম জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী সজ্জাদ মিয়া কাপ্তান, সিলাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ ওলিদুর রহমান, সিলাম শেখপাড়ার মুরব্বি শাহ সিরাজ উদ্দিন, সমাজকর্মী শাহজাহান আহমদ, মানবাধিকার কর্মী মো: আবর মিয়া, মাটি ও মানুষ সামাজিক সংগঠন সিলেটের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, স্থানীয় মো: বিলাল আহমদ, মো: রাসেল আহমদ, ইয়াছির আনছার, উদীয়মান সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি খোরশেদ আলম মুন্না, স্বপ্ন সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি জোবায়ের আহমদ জাহিদ প্রমুখ।
এছাড়া মানববন্ধনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনতা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাসেলকে প্রকাশ্যে যেভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নৃশংস ও উদ্বেগজনক। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেই হবে না, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা মূলহোতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। কোনো অপরাধী যেন রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা অন্য কোনো প্রভাব খাটিয়ে বিচারের হাত থেকে রেহাই না পায়, তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর দুপুরে ওষুধ কিনতে সিলাম চকবাজারে গেলে রাসেল আহমদ শাহকে মারধর করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে বাজারের পরিত্যক্ত মাছ হাটায় নিয়ে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও পাইপ দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় রাসেলের মা রাজনা বেগম ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করে মোগলাবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) সুনামগঞ্জ থেকে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি ইয়াসিন আহমদ ফাহিম ও আব্দুস সামাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








