হাম
সিলেটের ম্যাপ। ফাইল ছবি

টানা পাঁচ দিন মৃত্যুহীন থাকার পর সিলেটে হাম ও উপসর্গে আবারো একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচ বছর বয়সী আয়শা মনি নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। একই সময়ে নতুন করে আরো ১৪ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ১৩৬ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৪১ জন।

Advertisement

বুধবার (৭ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা: মো: মাহবুবুল আলম।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, নতুন ১৪ জনসহ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৫ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৪২২, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন।

নতুন ভর্তি ১৩৬ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৭০, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪৬, রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দুই, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৬ জন রয়েছেন।

বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৪১ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৩২, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৩৮, রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যালে নয়, নর্থ ইস্ট মেডিক্যালে তিন, পার্কভিউ মেডিক্যালে ২৩, সিলেট উইমেন্স মেডিক্যালে তিন, কোম্পানীগঞ্জে চার, বিশ্বনাথে ছয়, বিয়ানীবাজারে ১০, গোলাপগঞ্জে নয়, ফেঞ্চুগঞ্জে দুই, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৬৬, ধর্মপাশায় দুই, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে তিন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৩১ জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী আয়শা মনি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, চলতি বছর হাম ও উপসর্গে এ পর্যন্ত ১৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৭৩ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জন মারা গেছেন। জেলাভিত্তিক মোট মৃত্যুর মধ্যে সিলেটে ৭৪, হবিগঞ্জে ২৮, মৌলভীবাজারে ১৫ এবং সুনামগঞ্জে ৬৬ জন।