
ঢাকার আশুলিয়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি সাঈদ হাসান মিঠু গুলিবিদ্ধসহ আরো অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) গভীর রাতে আশুলিয়ার কাঁঠালতলা, চিত্রশাইলের মানিকগঞ্জপাড়া ও কামরুলের মোড় এলাকায় পৃথকভাবে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বাসায় দুবৃত্তরা হামলা চালায়। এ সময় তাকে হত্যার উদ্দেশে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন রবিউল।
হামলার একপর্যায়ে বাসার সিঁড়ির নিচে হামিম নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি সাঈদকেও মাথা ও বাম হাতে কুপিয়ে এবং ডান হাতে গুলি করা হয়। এ ঘটনায় নারীসহ আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলার একপর্যায়ে পুলিশের সাইরেন শুনে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।
আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘হাবিব ও হাসান বাহিনীর লোকজন হত্যার উদ্দেশে আমার বাসায় এসে গুলি চালায় ও ভাঙচুর করে। আমাকে না পেয়ে আমার কর্মী হামিমকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। আমি মাদকের বিরুদ্ধে মিছিল করায় তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মো: হাবিব বলেন, ‘হামলার সাথে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। বরং তারা আমার দুই ছেলেকে মারধর করেছে। আমি দূরে অবস্থান করায় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখতেও পারিনি। তারা যদি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে আমার বিরুদ্ধে যে শাস্তি দেয়া হবে আমি তা মাথা পেতে নেব।’
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








