ধানবীজ, সম্মেলন, পাই-১০০১
ধানবীজ পাই-১০০১-এর বার্ষিক বিজনেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত নয়া দিগন্ত

নীলফামারীতে পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের পাই-১০০১ ধানবীজের বার্ষিক বিজনেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টার ও রেস্টুরেন্টের সভাকক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক পাই ধানবীজ এজেন্টরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিপণনে ভালো অবদান রাখায় ১০ এজেন্টকে সম্মাননা দেয়া হয়।

এ সময় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান, পরিচালক (অর্থ) হাসিবুল ইসলাম, বিপণন বিভাগের প্রধান শহীদুল ইসলাম বক্তব্য দেন। অন্যের মধ্যে নীলফামারী সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের আলমগীর হোসেন, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের এনামুলক হক ও পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের আব্দুর রহিম বক্তব্য দেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয়, পাই-১০০১ ধানবীজের ভালো ফলন হয়, রোগ বালাই তেমন নেই ও এ জাতের ধানের ভাত খেতেও সুস্বাদু। বিঘা প্রতি ৩৫ মণ পর্যন্ত ধান হয়ে থাকে।

পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, মাত্র কয়েক বছরে আমরা কৃষকদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। প্রতি বছরই এ ধানবীজের চাহিদা বাড়ছে। আসছে বোরো মৌসুমে ৭০ টন ধানবীজ নীলফামারী জেলার কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এ ধানবীজ রোগ প্রতিরোধক জাত, অল্প সময়ে মিরাকল ফলন, রান্নার পর ভাত অন্তত ১৬ ঘণ্টা সুরক্ষিত থাকে। বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রিত ধানবীজ রংপুর বিভাগে আমরা ব্র্যান্ডিং করতে চাই।’