রাজাপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম, এমপির ক্ষোভ

 রাজাপুর (ঝালকাঠি) সংবাদদাতা
ঝালকাঠির রাজাপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে তিন লাখ টাকার জমির দলিল রেজিস্ট্রেশনে সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সম্প্রতি তিনি রাজাপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গেলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের এই বিষয়টি সামনে আসে।
পরিদর্শনকালে নারিকেলবাড়িয়া এলাকার লোকমান হোসেন ও আব্দুস সোবহান লিখিত ও মৌখিক অভিযোগে জানান, তারা তিন লাখ টাকায় ১০ শতাংশ জমি কিনে রেজিস্ট্রেশন করতে এলে সরকারি খরচ ও বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কাছ থেকে মোট ৩৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট দলিল লেখক আলকাছ হোসেন অতিরিক্ত খরচের যে হিসাব দেন, তাতে দেখা যায় সরকারি নির্ধারিত ফি ও স্ট্যাম্প ব্যতিরেকে দাখিলা, নকল, কম্পোজ ও মহুরি ফি বাবদ কয়েক হাজার টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়েছে। সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, দীর্ঘ দিন ধরেই এই দফতরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় এবং দলীয় নাম ভাঙিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। কোনো অবস্থাতেই সরকারি ফি-এর বাইরে এক টাকাও বেশি নেয়া যাবে না। দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তি যিনিই হোন, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। এ বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার মেহেদি হাসান জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত টাকা নেয়ার প্রমাণ মিললে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।