হুইপ, জি কে গউছ,
প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন হুইপ জি কে গউছ ছবি: নয়া দিগন্ত

জাতীয় সংসদের হুইপ, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জি কে গউছ বলেছেন, ‘বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকার কারণেই দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে ও বিএনপি সরকার আজ ক্ষমতায় এসেছে। দলের এই ঐক্য আরো সুদৃঢ় করতে হবে। ছোটখাটো মতানৈক্য ভুলে দলের সর্বস্তরে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে। একই সাথে সরকারের সাফল্য জনগণের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জি কে গউছ বলেন, ‘বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়িয়ে সাংগঠনিক দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা দূর করতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনগণের সাথে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে হবে। ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিএনপিকে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।’

সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী।

সভায় সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, থানা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে নেতাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে থানা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম, সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব ও হুমায়ুন কবির শাহীন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতিদের মধ্যে ডা: নাজমুল ইসলাম, জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, মাহবুব কাদির শাহী, আমির হোসেন, অ্যাডভোকেট শাহ আশরাফুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সাদিক, ডা: আশরাফ আলী, আব্দুল হাকিম, আফজাল উদ্দিন, আব্দুর রহিম মল্লিক ও জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে নজিবুর রহমান নজিব, মুর্শেদ আহমদ মুকুল, শামীম মজুমদার, মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, মাহবুবুল হক চৌধুরী, শুয়াইব আহমদ শোয়েব, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, রেজাউল করিম আলো, আক্তার রশিদ চৌধুরী, মঞ্জুরুল হাসান মঞ্জু, মতিউল বারী খুর্শেদ, নাদির খান ও আবুল কালাম। সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জাকির হোসেন মজুমদার, রফিকুল ইসলাম রফিক, দেওয়ান জাকির ও খসরুজ্জামান খসরু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির আহ্বায়ক ওলিউর রহমান চৌধুরী সুহেল, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ আহমদ, শাহপরান থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মুনিম ও সদস্য সচিব খুর্শেদ আহমদ খুশু, বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাদির সমছু ও সদস্য সচিব সৈয়দ সারোয়ার রেজা, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ডা: এনামুল হক ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, মোগলাবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত ও সদস্য সচিব জামাল আহমদ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, তাঁতী দলের আহ্বায়ক কয়েস আহমদ ও সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম বেলাল, উলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা মঈন উদ্দিন ফয়েজ ও সদস্য সচিব মাওলানা মাসুদ আহমেদ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যুতি এষ ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসান এবং শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আহাদ, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম জীবন প্রমুখ।