
রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এ বছর উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাস করেছে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি অকৃতকার্য হয়েছে। তবে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জন—উভয়ক্ষেত্রেই ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছিল এক লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন। পাস করেছে ৬১ হাজার ৮৯৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৭৫ হাজার ৪৬২ জন।
রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলে ছেলেদের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ১৫ দশমিক ৩২ শতাংশ এগিয়ে রয়েছে।
এ বছর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট চার হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে এক হাজার ৯৬৫ জন ছেলে এবং দুই হাজার ৫৫৫ জন মেয়ে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন জানান, পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ বছর বিভাগের আট জেলায় মাত্র নয়টি কলেজের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৩৯টি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
বোর্ডের গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে তা আরও কমে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশে নেমে আসে। এবারও পাসের হারে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
ফলাফল সম্পর্কে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা খাতায় যেমন লিখেছে, সেভাবেই নম্বর পেয়েছে। কাউকে বাড়তি নম্বর দেয়া হয়নি। তাই সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








