লোড হচ্ছে...
বছরে চারবার দানবাক্স খোলা হলেও আগে অর্থ গণনার বিষয়টি গণমাধ্যম ও স্থানীয়দের সামনে প্রকাশ করা হতো না। এবার প্রকাশ্যে গণনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দর্শনার্থী ও সাধুরা।
৬ দিন আগে

চতুর্থ দফার গণনা শেষে চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দফায় মোট দুই কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪০ টাকা পাওয়া যায়। আর আজ শনিবার পাওয়া গেল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা। সব মিলিয়ে পাঁচ দফায় পাওয়া গেছে তিন কোটি ১৭ লাখ টাকা।
৮ দিন আগে

শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সাংবাদিক ও সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে দানবাক্স দুটি খুলে টাকা গণনা করা হয়।
২২ দিন আগে

দানবাক্স খোলার সময় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই দানবাক্স থেকে টাকা বের করে গণনার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
২৩ দিন আগে

এর আগে তিন দফায় মাজারের দানবাক্স খুলে অর্থ গণনা করা হয়। গত ২২ জুন প্রথম দফায় দানবাক্স থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশী মুদ্রা পাওয়া যায়। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার চেক যুক্ত হলে মোট অর্থ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে গঠিত কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ গণনা চলছে। এতে মাদরাসাশিক্ষার্থী, মাজার কমিটির সদস্য ও জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


