
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের চমোলি জেলায় ছয়জন আরোহীসহ (পাইলটসহ) একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। হেলিকপ্টারটি চমোলি জেলার বদ্রীনাথ থেকে রাজধানী দেরাদুনে ফিরছিল।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে উত্তরাখণ্ডের চমোলি জেলার জোশীমঠ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ হেলিকপ্টারটির সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। পরে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি জানান, হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটিতে পাঁচজন যাত্রী ও একজন পাইলট ছিলেন। তবে এটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি জরুরি অবতরণ করেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর তারা পেয়েছে। তবে সেটি বিধ্বস্ত হয়েছে কি-না, তা নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় ছিল কর্তৃপক্ষ। হেলিকপ্টারে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় ও দুর্ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল।
জোশিমঠ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মনোহর কানয়াল জানান, শুক্রবার দুপুর ২টা ২১ মিনিটে জোশিমঠের এসডিএমের কাছ থেকে খবর পাওয়া যায়, জোশিমঠ এলাকার ‘চাই’ গ্রামের উপর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ইউসিএডিএ) কর্মকর্তারা জানান, ‘ট্রান্স ভারত’ কোম্পানির একটি হেলিকপ্টারের অবস্থান ‘চাই’ গ্রামের ওপর অবস্থিত সেনা ক্যাম্পের কাছাকাছি দেখা যাচ্ছিল। হেলিকপ্টারটি বদ্রীনাথ থেকে সহস্রধারার দিকে যাচ্ছিল।
ছয়জনের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা
উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ইউসিএডিএ) সিইও প্রতীক জৈন জানান, হেলিকপ্টারটি দুপুর ১টা ১৪ মিনিটে বদ্রীনাথ থেকে উড্ডয়ন করে। জোশিমঠ উপত্যকা অতিক্রম করার সময় ট্র্যাকিং সিস্টেমের সাথে হেলিকপ্টারটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, যাত্রীদের তালিকা অনুযায়ী হেলিকপ্টারে থাকা পাঁচজন যাত্রীই বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। তবে এ তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এদিকে, খবর পাওয়ার পর জোশিমঠ ও পান্ডুকেশ্বর থেকে স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এসডিআরএফ) দলগুলো দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। উদ্ধার অভিযান ও হেলিকপ্টারটির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও আনন্দবাজার
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








