
দুই যুগ আগে মাদরাসাকে ‘জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র’ হিসেবে ট্যাগ দিতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। এখনো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ গণহারে নতুন ট্যাগ প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে, এটাও পারবে না বলে দাবি করেছেন তরুণ ইসলামিক স্কলার মুফতি আলী হাসান উসামা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেয়া একটি পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।
মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, মুসল্লি সেজে চোর নিয়মিতই আসে মসজিদে, জুতা চুরিও হয় প্রচুর পরিমাণে, তবু কেউ গণহারে মুসল্লিদের চোর বলে না। অপরাধের দায় অপরাধীর। কিন্তু কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিডিয়া গোটা মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধেই উঠেপড়ে লেগেছে।
তিনি বলেন, দুই যুগ আগে ‘জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র’ হিসেবে ট্যাগ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, পারেনি। এখন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনায় নির্যাতিত হয়ে পেছনে ব্যথা নিয়ে কেউ কেউ গণহারে নতুন ট্যাগ প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে, এটাও পারবে না। তবে ব্যথার জন্য তাদের প্রতি সমবেদনা এবং এই ক্ষতি যারা করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনাও অপরিহার্য।
মুফতি উসামা বলেন, বাস্তবেই এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা বন্ধ করতে চাইলে শিক্ষাবোর্ড বা মুরুব্বিদের দিয়ে হবে না। লাগবে শরিয়াহর শাস্তি। বিচারিক ক্ষমতা না পেলে আইন কি নিজের হাতে তুলে নেবে? অন্তত যাদের বিরুদ্ধে ট্যাগ দেন, তাদের শায়েস্তা করার নিয়তে হলেও শরিয়াহ কোর্ট প্রতিষ্ঠার আওয়াজ তুলুন। তারাও সাইজ হবে; অন্যরাও সাইজ হবে। দ্রুত সময়ে সমাজে অপরাধপ্রবণতাও কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, আরো ভালো হবে ইসলামপন্থীদের ক্ষমতায়ন করলে। তারাই নিজেদের ইমেজ রক্ষার স্বার্থে এসব অত্যাচারী অপরাধীকে আলিফের মতো সোজা করে ছাড়বে। এই দমন তারা যত ভালোভাবে পারবে; ভিন্ন সার্কেলের লোকেরা তা পারবে না, পারার কথাও না। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা যায় সহজে। ধর্ষণ, বলাৎকার, জিনা—সবগুলোর শিকড়ই উপড়ে ফেলা অপরিহার্য। অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা অপরিহার্য।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








