ভাঙ্গায় কলেজের তুলনায় মাদরাসার ফল এগিয়ে

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা

Advertisement

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে কলেজগুলোর তুলনায় ভালো করেছে মাদরাসাগুলো। বিশেষ করে পল্লীবেড়া ইকামাতে দ্বীন মডেল কামিল মাদরাসা ৮৭ দশমিক ১৮ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তিনটি জিপিএ ৫ অর্জন করেছে। অন্য দিকে উপজেলার সরকারি কে এম কলেজে পাসের হার মাত্র ২৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ভাঙ্গা সরকারি কে এম কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ২৭ জন অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০১ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৭২৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে একজন। কলেজটির পাসের হার ২৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।
ভাঙ্গা মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে ৫২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ২৪ জন। এ কলেজে জিপিএ ৫ পেয়েছে দু’জন। পাসের হার ৫৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
দু’টি কলেজে মোট ১ হাজার ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩২৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৭৫০ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে মোট তিনজন।
অন্য দিকে উপজেলার তিনটি মাদরাসার আলিম পরীক্ষার ফলাফলে তুলনামূলক ভালো চিত্র দেখা গেছে। পল্লীবেড়া ইকামাতে দ্বীন মডেল কামিল মাদরাসা থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছে পাঁচজন। পাসের হার ৮৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে তিনজন।
তারাইল এ এস আলিম মাদরাসা থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। অকৃতকার্য হয়েছে তিনজন। পাসের হার ৭৬ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বড়গ্রাম ফুকুরহাটি নুরানি ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা থেকে আটজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে সাতজন। অকৃতকার্য হয়েছে একজন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৮৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।
এ দিকে উপজেলার একমাত্র মাধবপুর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান থেকে ৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৬১ জন। পাসের হার ৩২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
পল্লীবেড়া ইকামাতে দ্বীন মডেল কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু ইউসুফ মৃধা বলেন, শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান, পরিকল্পিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ তৈরি এবং আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি অনুসরণের কারণে এ ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানটি পরপর চারবার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।