
ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তি, সারভাইভার ও পরিচর্যাকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকেলে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আর. সি. মজুমদার মিলনায়তনে সেন্টার ফর ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন (সিসিসিএফ) ‘চংুপযড়ষড়মরপধষ ঝঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ ভড়ৎ ঈধহপবৎ চধঃরবহঃং, ঝঁৎারাড়ৎং ধহফ ঈধৎবমরাবৎং’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারের মূল প্রবন্ধে সিসিসিএফের প্রেসিডেন্ট রোকশানা আফরোজ বলেন, ‘ক্যান্সার চিকিৎসাকে কেবল শারীরিক সেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে রোগীর মানসিক ও সামাজিক চাহিদাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যান্সার নির্ণয়ের পর রোগী ও তার পরিবার উদ্বেগ ও আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভোগে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে সংবেদনশীলতা রক্ষা ও পেশাদার কাউন্সেলিং জরুরি।’
বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, রোগীদের রোগের খবর জানানো এবং তাদের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল ভাষা ও সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ আবশ্যক। তথ্য গোপন না করে সম্মানজনক উপায়ে রোগীকে জানানো চিকিৎসাব্যবস্থার অংশ হওয়া উচিত।
ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সানজিদা হক নিজের ক্যান্সার জয়ী সন্তানের পরিচর্যাকারী হিসেবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে পরিচর্যাকারীদের মানসিক সহায়তার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন- আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ ডা. নাদিয়া ফারহীন, সিসিসিএফের নির্বাহী সদস্য ডা. আবু জামিল ফয়সাল, জনস্বাস্থ্য পেশাজীবী ডা. ইতুকি চাকমা, ব্র্যাক বিশ^বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কাউন্সেলর শামী সুরিদ এবং ঢাবির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের প্রভাষক লিজা আক্তার।
বক্তারা বলেন, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ওষুধের পাশাপাশি মানসিক শক্তি ও সামাজিক সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যান্সারসেবায় চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তার সমন্বয় বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে যৌথভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সিসিসিএফের নির্বাহী সদস্য মো: তরিকুল ইসলাম লিটন ও হৃদিয়া আফরোজ রাকা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডা. এস এম শহীদুল্লাহ। সেমিনারের শুরুতে মরহুম ক্যান্সার লড়াকুদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








