
এস এম রহমান, পটিয়া-চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যানজট কমাতে চারটি বাইপাস ও একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নকশা প্রণয়ন শেষ হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ)।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় এসব অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে আট হাজার ৫৫৬ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে জাইকার প্রকল্প সহায়তা পাঁচ হাজার ৭০৯ কোটি ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং সরকারের অর্থায়ন দুই হাজার ৮৪৭ কোটি চার লাখ ৭২ হাজার টাকা।
প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি পয়েন্টে ৬ লেনের আদলে চারটি বাইপাস ও একটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। পটিয়া, দোহাজারী, লোহাগাড়া ও চকোরিয়ায় একটি করে বাইপাস এবং সাতকানিয়ার কেরানীহাটে ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বাইপাসগুলোর মধ্যে পটিয়া ৫ দশমিক ৭২ কিলোমিটার, দোহাজারী ৩ দশমিক ৫১ কিলোমিটার, লোহাগাড়া ৪ দশমিক ২৫ কিলোমিটার এবং চকোরিয়া বাইপাস ৭ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। কেরানীহাট ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য হবে ৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার।
প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী শ্যামল ভট্টাচার্য বলেন, নতুন নকশা প্রণয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নকশা শেষ হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এরপরই মূল নির্মাণকাজের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে।
এর আগে একই প্রকল্পের আওতায় জাইকার অর্থায়নে পটিয়ায় চানখালী খাল, চন্দনাইশে শঙ্খ নদী ও বরুমতি খাল এবং কক্সবাজারে মাতামুহুরী নদীর ওপর চারটি ছয় লেনের আদলে পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এসব সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭৫১ কোটি টাকা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








