
সিলেট ব্যুরো
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে শতভাগ সফলতা অর্জন করা কঠিন। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বুধবার বিকেলে নগর ভবনের সভাকক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আয়োজিত পরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক বলেন, এখন ডেঙ্গুর মৌসুম। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে সিলেট সিটি করপোরেশন এর আগেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছি এবং নগরবাসী এর সুফলও পাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত সিলেটে স্থানীয়ভাবে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হননি। যে কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের অন্য অঞ্চলে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে।
তিনি সিসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরো জোরদার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে ধারাবাহিকভাবে প্রচার চালাতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।
প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো: জাহিদুল ইসলাম ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিবরা বক্তব্য দেন।








