বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশন, ১১১ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গো, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন, বিমান বাহিনীর কন্টিনজেন্ট, এ টি এম ইরফানুর রহমান, শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন
কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশনে যাচ্ছেন বিমান বাহিনীর সদস্যরা। সংগৃহীত

জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের জন্য ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১১১ সদস্যের একটি দল ঢাকা ছেড়েছে।

Advertisement

বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতিসঙ্ঘের ভাড়াকরা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তারা ঢাকা ত্যাগ করেছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট কন্টিনজেন্টের মোট ১৩৫ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপনের অংশ হিসেবে নতুন এই দল পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে কঙ্গোতে অবস্থানরত কন্টিনজেন্টের সদস্যদের পর্যায়ক্রমে নতুন সদস্যদের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করা হবে।

নতুন কন্টিনজেন্টের নেতৃত্ব দেবেন এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমান।

কঙ্গোতে চলমান সঙ্ঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা দক্ষতা, পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে দেশটির সরকার ও জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।

নতুন সদস্যরা সেই সুনাম ও সাফল্য ধরে রেখে ভবিষ্যতেও আরো দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন—এ প্রত্যাশায় আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এ সময় সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদসহ বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে শান্তিরক্ষীদের বিদায় জানান।

গত ১ নভেম্বর বিমান বাহিনী সদর দফতরে কঙ্গোগামী কন্টিনজেন্টের সদস্যদের ব্রিফিং দেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। এ সময় তিনি মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পাশাপাশি সততা, পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান।