
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ার কারণ জানতে চেয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটি। একই সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অনিয়মের দায় নির্ধারণ এবং আইটি সিস্টেমের দুর্বলতায় সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ, অনিয়ম দূরীকরণ এবং দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন কমিটির সদস্যরা।
বৈঠকে উত্থাপিত নিরীক্ষা আপত্তিগুলোর বিপরীতে মোট কত টাকা আদায় হয়েছে, কত টাকা অনাদায়ী রয়েছে এবং কতজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে—তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। প্রতিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে প্রমাণাদিসহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের তাগিদ দেয়া হয়।
কমিটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়। উড়োজাহাজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়সংক্রান্ত অনিয়মের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং আইটি ব্যবস্থার দুর্বলতায় সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট করার নির্দেশ দেয়া হয়। আগামী বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো: আখতারুজ্জামান মিয়া, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন। এছাড়া হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব এবং বেবিচক ও বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








