
ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার আশঙ্কা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করতে পারেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইসরাইলের ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান।
রোববার তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, গত সপ্তাহের নির্বাচনের পর ইসরাইলের রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে গোলান লিখেছেন, ‘ইরানের সাথে আবারো সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে। আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে ইরানের সাথে বারবার যুদ্ধ হচ্ছে। এতে প্রমাণ হয়, নেতানিয়াহু কতটা ব্যর্থ হয়েছেন।’
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবারো হামলা চালাতে পারে ইসরাইল ও ওয়াশিংটন।
গোলানের মতে, ইরানের সাথে আরেকটি সংঘাত পরিচালনার নৈতিক বৈধতা তো নেতানিয়াহুর নেই-ই, এমনকি প্রয়োজনীয় সক্ষমতাও তাঁর নেই। তিনি দ্রুত বিকল্প সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘যত দ্রুত সম্ভব নতুন সরকার গঠন করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, ইসরাইলের নিরাপত্তা ও নাগরিকদের জীবন এর ওপর নির্ভর করছে।’
গত মঙ্গলবারের পার্লামেন্ট নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী দলগুলো—কেউই সরকার গঠনের মতো আসন পায়নি। প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। ইহুদি বিরোধী দলগুলো পেয়েছে ৪৮টি এবং ফিলিস্তিনি দলগুলো ১৯টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন।
এ অবস্থায় ফিলিস্তিনি দলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠন, জাতীয় ঐক্যের সরকার কিংবা নতুন নির্বাচন—এমন কয়েকটি সম্ভাবনা সামনে এসেছে।
দুর্নীতির মামলা ও আইসিসির পরোয়ানা
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দুর্নীতির বিচার চলছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর কারাদণ্ড হতে পারে।
এ ছাড়া ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে রয়েছেন তিনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








