
রয়টার্স, কেসিএনএ ও ব্লুমবার্গ
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাম্প্রতিক সমালোচনামূলক প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি স্পষ্ট জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে তাদের অবস্থান চূড়ান্ত এবং এই সক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তনযোগ্য নয়।
একই সাথে প্রকাশিত পৃথক এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষনেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জাতিসঙ্ঘের এই সংস্থাকে লক্ষ্য করে ‘দ্বৈত নীতি’র অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ব্যবস্থার যে ধস নামছে, তার মূলে রয়েছে আইএইএর এই ধরনের ‘পক্ষপাতমূলক অবস্থান ও দ্বৈত আচরণ’। কিমের মতে, ওয়াশিংটনের স্পষ্ট অস্ত্র বিস্তারমুখী কর্মকাণ্ড কিংবা সিউলের পারমাণবিক সাবমেরিন সংগ্রহের তৎপরতার বিষয়ে নীরব থাকলেও উত্তর কোরিয়ার আত্মরক্ষামূলক ও বৈধ প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে তৎপর সংস্থাটি।
সংস্থাটির চলতি সপ্তাহের সাধারণ অধিবেশনে শত্রুভাবাপন্ন শক্তিগুলো উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচি স্তব্ধ করার চেষ্টা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দফতর। দফতরের এক মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশগুলোর মদদে তৈরি এই প্রস্তাব পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থান সামান্যতম ক্ষুণœ করতে পারবে না। অন্য দিকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার শীর্ষনেতা কিম জং উন চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিন ধরে দেশের প্রধান প্রধান অস্ত্র উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেছেন। সামরিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ২০২৪ সালে মস্কোর সাথে কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে রাশিয়ার প্রযুক্তির সহায়তায় নিজেদের অস্ত্রাগার আধুনিকায়নে গতি এনেছে পিয়ংইয়ং। ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে যুদ্ধরত উত্তর কোরীয় সেনাদলের অর্জিত প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার প্রভাবও এই আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।







