
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষা, তখনো জয়-পরাজয়ের মীমাংসা হয়নি। দুবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ, তবে জয়টা তখনো অধরা। মনে হচ্ছিল হয়তো ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হবে লস ব্লাঙ্কোজদের।
বুধবার শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দূরপাল্লার দুর্দান্ত এক শটে সেই শঙ্কার অবসান ঘটান ফেদেরিকো ভালভের্দে। তার গোলেই গ্রিসের এথেন্সে এইকে এথেন্সকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল।
সাত মৌসুম পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরা এইকে এথেন্স শুরু থেকেই অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। সমানতালে পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে। দারুণ লড়াইয়ে জমিয়ে তুলে ম্যাচটাও।
গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে ম্যাচের ১২ মিনিটে আবুবাকারি কোইতার গোলে এগিয়েও যায় স্বাগতিকরা। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন তিনি।
৩২ মিনিটে জুড বেলিংহামের গোলে সমতায় ফেরে রিয়াল। মার্ক কুকুরেয়ার বাড়ানো বল দারুণ ফ্লিকে জালে পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার। বিরতির আগে বেলিংহামের আরেকটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও ৭৫ মিনিটে আবার পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। স্টাভরোস পিলিওসের গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় এইকে। তবে তিন মিনিট পরই জুড বেলিংহামের পাস ধরে ডেনজেল ডামফ্রিসের বাড়ানো বল থেকে সমতা ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এই গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের হয়ে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়েন এমবাপ্পে। প্রতিযোগিতাটিতে এটিই তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ টানা গোলের রেকর্ড। পাশাপাশি গড়েন আরো একটি দারুণ রেকর্ড।
মাত্র ১০২ ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০০ গোলে অবদান রাখার মাইলফলক ছুঁয়েছেন এমবাপ্পে। তার চেয়ে কম ম্যাচে এই কীর্তি আছে শুধু লিওনেল মেসির (১০১ ম্যাচ)।
শেষ দিকে দুই দলই জয়সূচক গোলের চেষ্টা চালায়। ৮৬ মিনিটে এমবাপ্পের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। তবে শেষ হাসি হাসে রিয়ালই। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান বদলি হিসেবে নামা ভালভের্দে।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে চার ম্যাচের সব কটিতে জিতল রিয়াল। ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুইয়ে রয়েছে তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি রিয়ালের টানা সপ্তম জয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








