
কোচের সাথে দ্বন্দ্বে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের অধিনায়কের বিরুদ্ধে এক থেকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। যদিও শাস্তির মেয়াদ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
ঘটনার সূত্রপাত কোচ জর্জ জেসুসের সাথে বিরোধ থেকে। খেলার সময় ও মাঠে নামার সুযোগ নিয়ে অসন্তোষের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়েন রোনালদো। পরে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কোচের বিরুদ্ধে কথা দিয়ে কথা না রাখার অভিযোগ তোলেন তিনি।
রোনালদোর দাবি, নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ৩০ মিনিট খেলানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামানো হয়নি। ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনায় নিজের দায়ও স্বীকার করেন পর্তুগিজ মহাতারকা। সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ফেডারেশন যে শাস্তি দেবে, তা মেনে নেয়ার কথাও জানান তিনি।
এতেই সামনে এসেছে শাস্তির বিষয়টি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে শাস্তি ঘোষণা হয়নি, তবে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধির ১৬০ নম্বর ধারায় অনুমতি ছাড়া জাতীয় দলের কার্যক্রম ছেড়ে গেলে এক থেকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে।
পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম আরটিপি ও ‘আ বোলা’ এ বিষয়ে আইনবিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা প্রকাশ করেছে। সেই অনুযায়ী চূড়ান্ত শাস্তি ঘোষণার আগেই পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের বিধি অনুযায়ী সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন রোনালদো।
জানা গেছে, আনুষ্ঠানিক শাস্তি ঘোষণার আগে তার আচরণ পর্যালোচনা করছে একটি স্বাধীন কমিটি। তদন্ত শেষে শাস্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে। শাস্তি এক মাসের বেশি হলে আগামী মাসে উয়েফা নেশনস লিগে ডেনমার্ক ও ওয়েলসের বিপক্ষে খেলা হবে না রোনালদোর। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে রোনালদোর লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা ও দীর্ঘ ক্যারিয়ারের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়া হতে পারে।
অন্যদিকে ক্যাম্প ত্যাগের এই ঘটনা রোনালদোর জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় কী প্রভাব ফেলে, সেটিও এখন দেখার বিষয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








