
জয়ের বিকল্প ছিল না, তবে কাঙ্ক্ষিত জয় এলো না। ফিফা আসিয়ান কাপে প্রথম জয়ের দেখা পেতে বাড়ল অপেক্ষা। উল্টো টানা দ্বিতীয় হারে এখন কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ। এখন কেবল শেষ ম্যাচে জিতলেই হবে না, ভাগ্যকেও পেতে হবে সাথে।
সোমবার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে লাল-সবুজের দল। প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর এবারো পয়েন্টশূন্য থাকল বাংলাদেশ।
শুরুতে বাংলাদেশের খেলায় ছিল আক্রমণের ছাপ। কিন্তু ম্যাচ যত গড়িয়েছে, সিঙ্গাপুর ততই নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভাঙে। আবদুল্লাহ নুরের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সিঙ্গাপুরকে এগিয়ে দেন রায়ান স্টুয়ার্ট।
সেই গোল আর শোধ করতে পারেনি বাংলাদেশ। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। আক্রমণে সিঙ্গাপুরের রক্ষণে চাপও তৈরি করেছিল তারা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের পাস, শট ও আক্রমণের সমাপ্তিতে ঘাটতি থাকায় কাঙ্ক্ষিত গোলটি আর আসেনি।
ফলে ১-০ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় হামজা চৌধুরীদের। ফলে শীর্ষ দুইয়ে জায়গা পেতে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণটা বেশ কঠিন—ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে জয় চাই, একইসাথে গ্রুপের অন্য ম্যাচের ফলও হতে হবে বাংলাদেশের অনুকূলে।
উল্লেখ্য, প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জেতা মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরকে ২-০ গোলে হারানো ইন্দোনেশিয়ার পয়েন্ট ছিল ৩ করে। এই জয়ে বাংলাদেশকে টপকে নিজেদের পয়েন্ট ৩ করেছে সিঙ্গাপুরও।
এখন বাংলাদেশের সামনে শেষ ম্যাচ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে। ম্যাচটি হবে ১ অক্টোবর, জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
তবে শেষ ম্যাচে জয় পেলেই যে বাংলাদেশ পরের পর্বে যাবে, তা নয়। চার দলের এই গ্রুপ থেকে শীর্ষ দল খেলবে ফাইনালে, আর দ্বিতীয় দল খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। তাই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচের আগে মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের ফলও হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পয়েন্ট হতে পারে ৩। ফলে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ড্র করলে দুই দলেরই পয়েন্ট হবে ৪, আর তখন ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়েও শীর্ষ দুইয়ে ওঠার সুযোগ থাকবে না বাংলাদেশের।
অর্থাৎ শেষ ম্যাচে নিজেদের কাজটি করার পাশাপাশি এখন তাকিয়ে থাকতে হবে গ্রুপের অন্য ম্যাচের ফলের দিকেও।








