কুটির ও মাইক্রো উদ্যোক্তা খাতে ২,৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করেছে পিকেএসএফ
কুটির ও মাইক্রো উদ্যোক্তা খাতে ২,৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করেছে পিকেএসএফ। সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে পিকেএসএফ ‘কুটির ও মাইক্রো খাতের উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ তহবিল (সোপান)’ কর্মসূচির আওতায় ১০১টি সহযোগী সংস্থার অনুকূলে ২,৫০০ কোটি টাকা ঋণের অর্থ ছাড় করেছে। এর মধ্যে, মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মধ্যে ১,৪১৬ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮৭ শতাংশই নারী। উল্লেখ্য, বিগত ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পিকেএসএফ প্রথম ধাপে ১,২৫০ কোটি টাকা পায়। 

Advertisement

দেশের ৬৪টি জেলায় ‘সোপান’ কর্মসূচির আওতায় চারটি উপখাতে ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে। উপখাতগুলো হলো প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ম্যানুফ্যাকচারিং, সেবা, এবং ভ্যালু চেইন অর্থায়ন। এসব খাতে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বিদ্যমান ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণের পাশাপাশি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমে অর্থায়ন করা হচ্ছে। 

গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ, বিদ্যমান ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণ এবং কৃষিভিত্তিক ও অকৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি, এসব উদ্যোগের ফরোয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড ভ্যালু চেইনে সম্পৃক্ত ব্যবসা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।  

Advertisement

এসব লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ব্যাংক পিকেএসএফ-এর অনুকূলে বিশেষ তহবিল হিসেবে ৫,০০০ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করেছে। ইতোমধ্যে তিন ধাপে ৩,৭৫০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট অর্থ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাওয়া যাবে। সমুদয় অর্থ উদ্যোক্তা পর্যায়ে জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করা হবে। ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের গুণগত মান বজায় রাখা এবং নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সদস্যভিত্তিক ঋণ বিতরণ ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত তথ্য উন্নত ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে দৈনিক ভিত্তিতে সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।