
যা এক সময়ে মনে হচ্ছিল প্রায় অসম্ভব, অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে সেটাই সম্ভব করেন তাওহীদ হৃদয়। সিলেট টেস্টের বাংলাদেশকে এনে দেন স্বপ্নের লিড। তার ব্যাটেই ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ে ফিরেছে টাইগাররা। তবে এখনো অনেক পথ বাকি।
প্রায় একার লড়াইয়ে সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফিরিয়েছেন তাওহীদ। ৩৫৯ বলে অপরাজিত ২৪২ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাতে ৩০ রানের ছোট্ট লিড নেয় বাংলাদেশ।
তবে দিনের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল অন্যরকম। সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে হাসান মাহমুদ ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের রান ছিল ৭ উইকেটে ১৮৪। সে সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় লিডের সম্ভাবনাই বেশি বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছিল।
তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের সাথে দারুণ দুটি জুটিতে উল্টো বাংলাদেশকে লিড এনে দেন হৃদয়। তাতে এখন সিলেট টেস্টে যে কোনো ফলই সম্ভব। বলা যায় ম্যাচটা জমে উঠেছে।
শনিবার দিনের শেষ বেলায় ৪ ওভার ব্যাটিং করে বিনা উইকেটে ৭ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এখনো ২৩ রানে পিছিয়ে তারা। ১৩ বলে এক চারে ৫ রান করেছেন ব্র্যান্ডন কিং। ১১ বলে ২ রানে খেলছেন জশুয়া দা সিলভা।
দিনের প্রথম ওভারেই দুটি রিভিউ হারিয়েছে বাংলাদেশ। উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। চতুর্থ দিনের শুরুতেই তাই বাংলাদেশকে সতর্ক থাকতে হবে। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি উইকেট তুলে নিতে হবে বাংলাদেশের বোলারদের।
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে থামাতে বড় ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। রেকর্ড গড়া বোলিংয়ে ৬ উইকেট তুলে নেন তিনি। আজ চতুর্থ দিনেও তার কাছে এমন কিছুই চায় দল। তাসকিন আহমেদও চাইবেন দারুণ কিছু করতে।
নতুন বল হাতে শুরুতেই প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে ধাক্কা দিতে পারলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়া সহজ হবে বাংলাদেশের জন্য। তবে একটা শঙ্কাও আছে, স্পিনাররা নিজেদের ছাপ রাখতে পারছেন না তেমন করে।
তাইজুল ইসলাম তো নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন, মোটেও ছন্দে নেই তিনি। আগের ৮ ইনিংসে তার শিকার মাত্র ৫ উইকেট! তার জন্য ফেরার চেলেঞ্জ থাকবে যেমন, তেমনি নাঈম হাসান, মেহেদী মিরাজকেও রাখতে হবে ভূমিকা।
চতুর্থ দিনে তাই বাংলাদেশের প্রথম লক্ষ্য—সফরকারীদের যতো কম রানে সম্ভব আটকে রাখা। সেই লক্ষ্যেই রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় মাঠে নেমেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








