
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য আজ সোমবার দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। নিয়মিত তিন পেসার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে।
বিপরীতে দুই সংস্করণের দলেই জায়গা পেয়েছেন তরুণ পেসার মাহলি বিয়ার্ডম্যান। আর অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি দলে প্রথমবার ডাক পেয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটার স্যাম হার্পার ও লাচলান শ।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন টেস্টের সিরিজ খেলার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ সামনে রেখে কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে বিশ্রাম দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চোটের কারণে ওয়ানডে সিরিজে নেই নাথান এলিসও।
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ১৩ নভেম্বর। পরের দুই ম্যাচ ১৫ ও ১৮ নভেম্বর পার্থ, অ্যাডিলেড ও হোবার্টে। এরপর হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
ওয়ানডে দলে জায়গা হয়নি টিম ডেভিডের। গত সপ্তাহে তাসমানিয়ার হয়ে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ফিরলেও ৫০ ওভারের দলে রাখা হয়নি তাকে। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার লক্ষ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেছিলেন এই ব্যাটার। তবে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা ধরে রেখেছেন তিনি।
ওয়ানডে দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার লিয়াম স্কট। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে চোটের বিকল্প হিসেবে অভিষেক হওয়া জ্যাক এডওয়ার্ডসও নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন।
এলিসের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে পেস আক্রমণে থাকছেন জেভিয়ার বার্টলেট, স্পেনসার জনসন ও বিয়ার্ডম্যান। বিকল্প হিসেবে আছেন এডওয়ার্ডস ও স্কট। দলে একমাত্র বিশেষজ্ঞ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টি খেললেও এখনো ওয়ানডে অভিষেক হয়নি বিয়ার্ডম্যানের। সম্প্রতি ভারত সফরে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের হয়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করেছেন এই তরুণ পেসার। সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই এবার ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
টি-টোয়েন্টি দলেও নিয়মিত কয়েকজন ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ সামনে রেখে ট্রাভিস হেড, ম্যাথু রেনশ, জশ ইংলিস, কুপার কনোলি ও ক্যামেরন গ্রিনকে রাখা হয়নি। ফলে নতুন মুখ হিসেবে জায়গা পেয়েছেন হার্পার ও শ।
টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ও মিচেল ওয়েনও। ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর খেলা হয়নি ফ্রেজার- ম্যাকগার্কের। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় আবারো জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি।
হেড ও ইংলিস না থাকায় মিচেল মার্শের সাথে ফ্রেজার-ম্যাকগার্ককে ইনিংস উদ্বোধন করতে দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ সফরের দল থেকে বাদ পড়ার পর এবার ফিরেছেন মিচেল ওয়েন।
প্রথমবার টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পাওয়া হার্পার গত মৌসুমে বিগ ব্যাশ লিগে মেলবোর্ন স্টার্সের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট দলেও ডাক পেয়েছিলেন তিনি।
অন্যদিকে ২৩ বছর বয়সী লাচলান শকে দলে নেয়াটা কিছুটা চমক। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে তার অভিজ্ঞতা সীমিত হলেও অক্টোবরে ভারত সফরে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের ৫০ ওভারের দলে ছিলেন তিনি।
ইংল্যান্ড সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার দল
ওয়ানডে: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, জ্যাক এডওয়ার্ডস, ক্যামেরন গ্রিন, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেনসার জনসন, অলি পিক, ম্যাথু রেনশ, লিয়াম স্কট ও অ্যাডাম জাম্পা।
টি-টোয়েন্টি
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, নিখিল চৌধুরী, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, জ্যাক এডওয়ার্ডস, নাথান এলিস, জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, স্যাম হার্পার, স্পেনসার জনসন, মিচেল ওয়েন, লাচলান শ ও অ্যাডাম জাম্পা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








