
হেসেখেলেই জয়ের পথে ছিল পাকিস্তান। তবে শেষ দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে শ্রীলঙ্কা। যদিও সেই চেষ্টা সফল হয়নি, ধাক্কা সামলে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে ম্যান ইন গ্রিনরা।
সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাতের ব্যাটিং ম্যাচটা পাকিস্তানের হাতের মুঠোয় এনে দেয়। ১৮.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান তুলে ৪ উইকেটে জিতেছে তারা। সাহিবজাদা ৫৩ বলে ৮৯ ও সাদাকাত ২৯ বলে ৫০ রান করেন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। প্রথম ওভারেই অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসকে (১) হারায় তারা। এরপর হারায় কামিল মিশ্রার (৬) উইকেটও। ১৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর কামিন্দু মেন্ডিস ও উদারা মিলে সামাল দেন ইনিংস।
তৃতীয় উইকেটে দুইজনের জুটি থেকে আসে ৬০ রান। কামিন্দু ২৩ রান করে ফিরলেও উদারা ছিলেন অবিচল। ৫৫ বলে ৯১ রানের ইনিংসে ১১টি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। দাসুন শানাকার (১৮) সাথে তার ৫৭ রানের জুটিতে সংগ্রহ দেড় শ’ ছাড়ায়।
এরপর অবশ্য আর কারো তেমন সমর্থন পাননি, একাই টেনে নেন ইনিংস। তাতে ৮ উইকেটে শেষ পর্যন্ত ১৮২ রান করে শ্রীলঙ্কা।পাকিস্তানের হয়ে নাসিম শাহ ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন। মোহাম্মাদ ইমরান নেন ২ উইকেট।
রান তাড়ায় পাকিস্তানের শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। সাহিবজাদা ও ফখর জামান ৩১ বলে ৫৪ রান যোগ করেন। ১৩ বলে ২১ রান করে ফখর ফিরতেই শ্রীলঙ্কার সামনে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়।
সেই সুযোগ নষ্ট করে দেন সাহিবজাদা ও সাদাকাত। দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৫২ বলে ৯২ রান যোগ করেন তারা। সাহিবজাদা ৩৩ বলে এবং সাদাকাত ২৮ বলে ফিফটি তুলে নেন। জুটি ভাঙে ১৩.৫ ওভারে ১৪৬ রানে।
২৯ বলে ৫০ রান করে সাদাকাত ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর হাসান নাওয়াজ ও সাইম আইয়ুবও দ্রুত আউট হন। তবে সাহিবজাদা ছিলেন অবিচল। ১০টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৩ বলে ৮৯ রান করে পাকিস্তানকে জয়ের একেবারে কাছে নিয়ে যান তিনি।
জয়ের জন্য যখন দরকার মাত্র ৪ রান, তখন অবশ্য থামতে হয় তাকে। সাথে ফেরেন শাদাব খানও (০)। তবে এর প্রভাব পড়েনি, খাজা নাফের ব্যাটে ১৮.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে সাহিবজাদার হাতে। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি হবে আগামী রোববার, একই মাঠে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








