এনসিএল শুরু ৩ অক্টোবর
এনসিএলের ফটোসেশনে অধিনায়করা ছবি: বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক


২৮তম জাতীয় লিগকে ঘিরে এবার শুরু থেকেই থাকছে কিছুটা ভিন্ন আবহ। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই অংশগ্রহণকারী আট দলের অধিনায়কদের হাতে গতকাল তুলে দেয়া হয়েছে ব্যাগি ক্যাপ। মাঠে বল গড়ানোর আগেই বর্তমান ও অতীতের ক্রিকেটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে এক প্রতীকী সেতুবন্ধন! মাঠের লড়াই শুরু হলে অবশ্য আবেগের জায়গা ছেড়ে দেবে প্রতিযোগিতা। উদ্বোধনী রাউন্ডেই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের সামনে ঢাকা। একই সময়ে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে খুলনা ও বরিশাল। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট খেলবে ময়মনসিংহের বিপক্ষে। আর চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম।
ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন মৌসুম শুরু হচ্চে চার দিনের ক্রিকেট দিয়ে। ব্যাট-বলের দীর্ঘ লড়াইয়ে ফিরছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ, আর ৩ অক্টোবর দেশের চার ভেন্যুতে একসাথে শুরু হবে ২০২৬-২৭ মৌসুমের প্রথম শ্রেণীর এই আসর। আট বিভাগীয় দলের লড়াই ছড়িয়ে পড়বে দেশের বিভিন্ন মাঠে, যার সমাপ্তি হবে প্রায় সাত সপ্তাহ পর, ১৭ নভেম্বর।
এক স্তরের এই লিগে আলাদা কোনো গ্রুপ নেই। আট দলই একে-অপরের বিপক্ষে খেলবে একটি করে ম্যাচ। ফলে প্রতিটি দলের সামনে থাকবে সাতটি করে ম্যাচ। সাত রাউন্ডের লড়াই শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দলের হাতে উঠবে জাতীয় লিগের ট্রফি।
এবার জাতীয় লিগের ক্রিকেটে ফিরছে পরিচিত আরেক নাম কুকাবুরা। সাম্প্রতিক কয়েকটি আসরে ডিউক বল দিয়ে ম্যাচ আয়োজন করা হলেও এবার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। চার দিনের ক্রিকেটে কুকাবুরার প্রত্যাবর্তন তাই আসরের অন্যতম আলোচিত পরিবর্তন।
শুধু চার ভেন্যুতে সীমাবদ্ধ থাকছে না এবারের আয়োজন। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়াম, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অ্যাকাডেমি মাঠ, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম এবং কক্সবাজার একাডেমি মাঠেও গড়াবে ম্যাচ।
মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে চারটি ম্যাচ। আর সেখানেই উদ্বোধনী রাউন্ডে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের মুখোমুখি হবে ঢাকা। ৩ অক্টোবর শুধু একটি টুর্নামেন্টের শুরু নয়, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন মৌসুমেরও প্রথম বড় পরীক্ষা। মাঠে ফিরবে চার দিনের ক্রিকেটের ধৈর্যের পরীক্ষা, আর বল হাতে দেখা যাবে কুকাবুরার পরিচিত সিম। এরপর সাত সপ্তাহ ধরে একটাই প্রশ্ন ঘুরবে- শেষ পর্যন্ত ট্রফিটি যাবে কোনো বিভাগের শোকেসে।