
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এশিয়ান গেমসে একবার বক্সিংয়ে পদক জয় ছাড়া বাকি সব পদকই এসেছে ক্রিকেট ও কাবাডিতে। এবারো ক্রিকেট ও কাবাডিতে পদক জয়ে আশা। সে লক্ষ্যেই আজ জাপানের উদ্দেশে রওয়ানা হচ্ছে বাংলাদেশ কাবাডি দল। সকালে যাবে পুরুষ কাবাডি দল। আর রাতে বিমানে উঠবে নারী কাবাডি দল। পুরুষ কাবাডিতে বাংলাদেশ তিনটি রৌপ্য ও দু’টি ব্রোঞ্জপদক জয় করেছে এশিয়ান গেমেসে। আর নারী কাবাডি দলের অর্জন দু’টি ব্রোঞ্জপদক। তবে ২০১৪ সালের ইনচন এশিয়ান গেমসের পর নারী কাবাডি দল আর পদকের দেখা পায়নি। আর পুরুষ কাবাডি দল ২০০৬ সালের দোহা এশিয়ান গেমসের পর আর পদক জিততে পারেনি। এবার দুই বিভাগেই পদক পুনরুদ্ধারের মিশন। এবার নারী দলের তুলনায় পুরুষ দলেরই পদক জয়ের সম্ভাবনা বেশি। কারণ নারী বিভাগে শক্তিশালী এবং চ্যাম্পিয়ন ভারত ও রানার্সআপ ইরান খেলছে গ্রুপে। রয়েছে স্বাগতিক জাপানও। তবে এ ক্ষেত্রে নারী দলের অনুপ্রেরণা গত দেড় বছরে পাওয়া তিনটি পদক। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্বকাপ ও বিচ এশিয়ান গেমসে তিনটি ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে বাংলাদেশ। এটাই বাড়তি শক্তি। জানান অধিনায়ক শ্রাবনী মল্লিক।
কোচ আরদুজ্জামান ও শাহনাজ মালেকার অধীনে অনুশীলন করেছে নারী কাবাডি দল। তিনটি পদক জয়ের আসরের বাইরে নেপালের সাথে সিরিজও খেলেছে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে এবারের আসরে। শ্রাবনী মল্লিক এই এশিয়ান গেমস দিয়ে ফিরে পেয়েছেন নেতৃত্ব। বিশ্বকাপে সিনিয়র রুপালী আক্তারকে ক্যাপ্টেন্সি দেয়া হয়েছিল তার বিদায়ী আসর বলে। শ্রাবনী জানান, ‘অবশ্যই ভারত ও ইরান শক্ত প্রতিপক্ষ। তাদেরকে আমারা হারাতে পারিনি। তবে এবার পদক জেতার জন্য অবশ্যই তাদের বিপক্ষে ভালো খেলতে হবে আমাদের। জিততে চাই ইরানের বিপক্ষে। যদি ইরানকে হারাতে পারি এবং জাপানের বিপক্ষেও জয়ের দেখা পাই তাহলে পদকের আশা করতে পারি।’
তবে বাংলাদেশ দলে নেই বিশ্বকাপে সেরা ক্যাচার হওয়া স্মৃতি আক্তার। মা হতে চলেছেন তিনি। তাই এই অভাবটা পূরণ করাটাই এখন নারী দলের বড় চ্যালেঞ্জ। শ্রাবনী জানান, ‘এত অল্প সময়ে কি স্মৃতির অভাব পূরণ হবে। তবে আমাদের জোর চেষ্টা থাকবে পদক পুনরুদ্ধারে গ্রুপে দুই ম্যাচে জয় পাওয়ার।’ শ্রাবনী রেইডারের ভূমিকায় থাকেন। তার সাথে আছেন অভিজ্ঞ বৃষ্টিও। আর ক্যাচার ও রেইডারের অল রাউন্ডারের ভূমিকায় মেবি চাকমা। রাঙ্গামাটির এই মেয়েও জানান, আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করব পদক পাওয়ার। তিনটি টুর্নামেন্ট ও নেপালের বিপক্ষে সিরিজই আমাদের বড় প্রেরণা।







