
মাগুরায় বহুল আলোচিত পৌর যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা মামলায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্বর্ণ লুটের ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পিতভাবে গুলি করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে গ্রেফতারকৃত আসামিরা পুলিশকে তথ্য দিয়েছে।
এ ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেনকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপারের বক্তব্য ও তদন্তের অগ্রগতি
মামলার অগ্রগতি ও স্বর্ণ উদ্ধারের বিষয়ে মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান
‘যুবদল নেতা শাকের হত্যা মামলায় অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে স্বর্ণ ডাকাতি এবং শাকের হত্যার ঘটনা উন্মোচন করা হবে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিতে পৌনে ৬টি স্বর্ণের বার এবং স্বর্ণ ডাকাতিতে ব্যবহৃত গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। লুটের স্বর্ণ ভাগাভাগি কে কেন্দ্র করে শাকের হত্যার ঘটনার অনেক মিল রয়েছে।’
অভিযান ও আসামিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে পুলিশ সুপার আরো জানান
‘গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর এলাকায় একটি পরিবহন থেকে ১৪ টি স্বর্ণের বার লুটের ঘটনা ঘটে। ওই মামলায় জড়িত জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ কে মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এছাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও মাগুরা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, শামীমা তাবাসসুম লুবনা, মারুফা, রনি শিকদার, মিলটন, বসির, স্বর্ণ ব্যবসায়ী ফরিদ, ঝিনাইদহের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অনিমেষ মজুমদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন আসামি স্বর্ণ লুটের সাথে নিহত শাকেরসহ তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।’
দলীয় পদে বহিষ্কার ও হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পদ-পদবি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের দফতর সম্পাদক কাজী আবদুল্লাহ আল মামুন এই বহিষ্কারাদেশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর সকালে মাগুরা বাস টার্মিনালে ‘রয়েল পরিবহন’-এর একটি কাউন্টার থেকে যুবদল নেতা শাকের হোসেনের মাথায় গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








