
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মেঘনা নদীতে জেলেদের ধাওয়ার সময় নৌ-পুলিশের একটি স্পিডবোট উল্টে যাওয়ার ঘটনায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া শটগান এখনো উদ্ধার হয়নি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দিনভর নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়েও অস্ত্রটির সন্ধান পায়নি।
সোমবার ভোরে উপজেলার ষাটনলের সটাকী লঞ্চঘাট থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। পরে ডুবে যাওয়া স্পিডবোটটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেয়া হয়।
এদিকে, মতলব উত্তর এলাকার নদীসীমায় চাঁদপুর নৌ-পুলিশের অভিযান পরিচালনার এখতিয়ার ও অনুমতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের কারো কারো দাবি, এ এলাকায় অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সমন্বয়ের বিষয় রয়েছে।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। জেলেদের ধাওয়া করার সময় ঠিক কী পরিস্থিতিতে স্পিডবোটটি ডুবে গেল, কীভাবে শটগানটি নিখোঁজ হলো এবং অভিযানের ক্ষেত্রে কোনো সমন্বয়গত জটিলতা ছিল কি না—তা নিয়ে সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: রুহুল আমিন জানান, চাঁদপুর নৌ থানার একটি স্পিডবোট সটাকী এলাকায় জেলেদের ধাওয়ার সময় উল্টে যায়। এ সময় পুলিশের একটি শটগান নদীতে তলিয়ে যায়। শটগান উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে মতলব উত্তর থানায় মামলা হয়েছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়া জানান, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর ৫(১) ও ৫(২)(খ) ধারা এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৭, ১৮৬, ৩৫৩ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪১।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সময়ে কারেন্ট জাল নিজেদের হেফাজতে রাখা ও বহনের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে।
চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, নদীতে ডুবে যাওয়া শটগান উদ্ধারে নৌ-পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগিতায় অস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








