
তামাবিল স্থলবন্দরে বৈধ এলসির আড়ালে কোনো ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘স্থলবন্দরে ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বৈধ বাণিজ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন ও বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। বৈধ আমদানি-রফতানি কার্যক্রমের আড়ালে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেয়া হবে না।’
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘তামাবিল স্থলবন্দর দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ বন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসার নামে কেউ যাতে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বৈধ এলসির আড়ালে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দফতর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা শুধু প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়; ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের প্রচলিত আইন, বিধিবিধান ও বন্দরসংক্রান্ত নিয়মনীতি অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। নিয়মের বাইরে গিয়ে কেউ যাতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বৈধ ব্যবসা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বন্দরের শৃঙ্খলা রক্ষা, সরকারি রাজস্বের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যবসায়ীদের বৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
এ সময় তিনি অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা দেন।
সভায় তামাবিল স্থলবন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, বৈধ আমদানি-রফতানি বাণিজ্য নিশ্চিত করা, এলসির যথাযথ ব্যবহার এবং অবৈধ ব্যবসা প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ব্যবসায়ীদের করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মতবিনিময় সভায় গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী, গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ওমর ফারুক মোড়লসহ জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধি, তামাবিলের কয়লা-পাথর ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








