পার্টনার প্রকল্প, মতবিনিময় সভা
পার্টনার প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও মতবিমিয় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্লানিং, পলিসি এবং কো-অর্ডিনেশন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা কামাল। নয়া দিগন্ত

বরিশালে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

Advertisement

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) উদ্যোগে নগরীর কৃষি তথ্য সার্ভিসের সম্মেলনকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্লানিং, পলিসি এবং কো-অর্ডিনেশন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা কামাল। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক মো: আবুল কালাম আজাদ। 

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই ভোলার উপ-পরিচালক মো: খায়রুল ইসলাম মল্লিক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহম্মাদ আশিক ইকবাল খান, পার্টনার প্রকল্পের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো: তৌফিক আরেফীন, ডিএই বরিশালের উপ-পরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম, প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মুহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং কৃষি উদ্যোক্তা মিলে অর্ধশতাধিক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, বরিশাল বিভাগের ৪৩ উপজেলাসহ দেশের ৪৯৫টি উপজেলা এই প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত। এর মাধ্যমে কৃষিতে বাণিজ্যিকীকরণের পাশাপাশি মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের তিন লাখ হেক্টর জমিতে ফল ও সবজি, দুই লাখ হেক্টর জমিতে জলবায়ুসহিষ্ণু ধানের জাত, দুই লাখ হেক্টর জমিতে অন্য দানাশস্য ফসল, ডালফসল, তেলফসল ও উদ্যান ফসলের আবাদ বৃদ্ধি পাবে। 

একইসাথে এক লাখ হেক্টর জমিতে উন্নত আধুনিক সেচ এলাকাও বাড়বে। পাশাপাশি ২০ হাজার তরুণ ও নারী উদ্যোক্তা তৈরি হবে। প্রোগ্রামে আরো থাকছে কৃষি সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার, গবেষণা ও উন্নয়ন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও সেচ যন্ত্রপাতি, মোবাইল ক্রপ ক্লিনিক, কৃষিকাজে অনুদান, বিপণন ব্যবস্থার মানউন্নয়ন, কৃষক এবং কৃষি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ অন্য উন্নয়নমূলক কাজ। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ইফাদের আর্থিক সহযোগিতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাতটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন হবে। এর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আটটি প্রতিষ্ঠান। পাঁচ বছর মেয়াদী এই কার্যক্রম শেষ হবে ২০২৮ সালের ৩০ জুন।