আবুল খায়ের গ্রুপ লোগো
আবুল খায়ের গ্রুপ ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর ও কুষ্টিয়ায় বন্ধ থাকা চারটি পাটকল চালু করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। এসব কারখানায় প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বর্তমানে কারখানাগুলোতে পাটের সুতা ও বিভিন্ন পাটজাত পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। উৎপাদিত পণ্য তুরস্ক, চীনসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের রাজ্জাক জুট ইন্ডাস্ট্রিজ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এতে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েন। সম্প্রতি কারখানাটি আবুল খায়ের গ্রুপের উদ্যোগে পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে সেখানে পাটপণ্য উৎপাদন করে রপ্তানি করা হচ্ছে।

রাজ্জাক জুট ইন্ডাস্ট্রিজের পাশাপাশি ফরিদপুরের দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ, ফরিদপুর জুট ফাইবার্স এবং কুষ্টিয়া জুট ইন্ডাস্ট্রিজও চালু করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। চারটি কারখানাতেই এখন পাটপণ্য উৎপাদন চলছে।

জানা গেছে, এসব পাটকল থেকে বছরে ৮০ হাজার মেট্রিক টন পাটের সুতা ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। চলতি ২০২৬ সালের মধ্যে বিপুল পরিমাণ পাটের সুতা রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। তুরস্ক ও চীনসহ বিভিন্ন দেশে এসব পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে আবুল খায়ের গ্রুপের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগাল শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, পাটপণ্যের ব্যবসা মূলধননির্ভর। দেশের বেসরকারি খাতে অনেক পাটকল বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। তাই নতুন কারখানা স্থাপনের পরিবর্তে বন্ধ কারখানাগুলোর সঙ্গে কাজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি পাট ব্যবসায় নামার অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতের চারটি বন্ধ পাটকল চালু করেছি। এতে চারটি কারখানায় ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি খাতের বন্ধ তিন থেকে চারটি পাটকল নেওয়ার জন্যও আমরা আবেদন করেছি।’

শেখ শাবাব আহমেদ আরো বলেন, ‘ভবিষ্যতে বেশি মূল্যের (ভ্যালু অ্যাডেড) পাটপণ্য উৎপাদনের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। বাংলাদেশের পাটের মান উন্নত। পরিবেশবান্ধব এই পণ্যের বাজারও রয়েছে। এ কারণে আমাদের প্রতিষ্ঠান পাটপণ্যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে হলেও পাটচাষিদের ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’