
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্নাতক পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল ও অনুষদভিত্তিক মেধাক্রমে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ৩৬ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেন প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
ভিসি বলেন, ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি। তবে ভালো সিজিপিএ অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজ বিষয়ে ভালো জ্ঞান, প্রেজেন্টেশন ও ভাষার দক্ষতা থাকতে হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরতে এসব দক্ষতা জরুরি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ পুরস্কার আজকের কৃতি শিক্ষার্থীদের সামনে নতুন দায়িত্বও তৈরি করেছে। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। এছাড়া এ স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।’
প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: ইদ্রিস আলী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো: আতিকুর রহমান। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের কৃতি শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা হলেন থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদে প্রথম আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ আল-ফায়েদ ও আলী আহসান মোহাম্মদ জুবাইর। যৌথভাবে দ্বিতীয় আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল ইসলাম। তৃতীয় আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আবদুল্লাহ ইহসান ভূঁইয়া এবং আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের দেলোয়ার হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাঈমুর রহমান।
কলা অনুষদে প্রথম আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের তানজিলা খাতুন, দ্বিতীয় হাফিজুল ইসলাম এবং তৃতীয় জেবা রহমান।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে প্রথম লোকপ্রশাসন বিভাগের মুনতাকিম রহমান, দ্বিতীয় অর্থনীতি বিভাগের টগর আলী ও জেসিয়া আক্তার তন্নি এবং তৃতীয় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সিরাজুম মুনিরা।
আইন অনুষদে প্রথম ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সাদিয়া, দ্বিতীয় একই বিভাগের রাফিয়া খাতুন এবং তৃতীয় আইন বিভাগের আমজাদ হোসেন।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে প্রথম হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমি খাতুন, দ্বিতীয় ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা এবং তৃতীয় একই বিভাগের সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ্য সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের মেহেদী হাসান সিকদার।
বিজ্ঞান অনুষদে প্রথম পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেদী হাসান লিমন, দ্বিতীয় একই বিভাগের মাহমুদুল ইসলাম এবং তৃতীয় গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম।
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে প্রথম অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মহুয়া রহমান নাইস ও জান্নাতুন নাঈম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আহসান হাবিব। দ্বিতীয় ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের মাহফুজুর রহমান এবং তৃতীয় ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জেরিন খাতুন।
এছাড়া জীববিজ্ঞান অনুষদে প্রথম ফার্মেসি বিভাগের আবদুল্লাহ আল মামুন, দ্বিতীয় বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেহেদী হাসান এবং তৃতীয় একই বিভাগের সুরাইয়া ইসলাম ও ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সাজিয়া ফারজানা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








