
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'সতর্ক আশাবাদ' ব্যক্ত করেছে। চলতি সপ্তাহে তেহরানে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফরের পর শুক্রবার নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে এই কথা জানান দেশটির সামরিক মুখপাত্র।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলা ও সংঘাত কমানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। এই চলতি মাসেই তিনি দুবার তেহরান সফর করেছেন। সর্বশেষ গত সোমবারে তিনি সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং তুর্কি গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিনের সাথে তেহরান সফরে যান।
'যদি ইতিবাচক কিছু না-ই থাকত, তবে ফিল্ড মার্শাল কেন দুইবার যাবেন? তাই নিশ্চিতভাবেই এটি ইতিবাচক,' সফরগুলো ভালো লক্ষণ কি না জানতে চাইলে এসব কথা বলেন মুখপাত্র আহমদ শরিফ চৌধুরী। তিনি যোগ করেন, 'আমরা এই বিষয়ে যে শব্দটি ব্যবহার করব তা হলো—'সতর্ক আশাবাদ'।'
পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর সদর দফতর সেনাশহর রাওয়ালপিন্ডিতে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে চৌধুরী তেহরানের বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে অথবা ওয়াশিংটন এই সফরে সমর্থন দিয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব ও তুরস্ক পাকিস্তানের সাথে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি (মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি) স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইরান এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে পারে কি না—এমন প্রশ্নে চৌধুরী জানান, চুক্তির শর্তাবলীতে নতুন সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা বা নিষেধাজ্ঞা নেই।
এই চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে অতিরিক্ত পাকিস্তানি সেনা পাঠানো হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা সার্বিক পরিস্থিতি এবং উভয় দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
সূত্র : মিডল ইস্ট আই
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








