উপসম্পাদকীয়

সীমান্তে বিজিবির দুরন্ত সাফল্য

সীমান্তে বিজিবির দুরন্ত সাফল্য

সীমান্তে বিজিবির সাহসী ভূমিকা ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তীতে রূপান্তরিত পরিস্থিতিতে জনগণকে সঙ্গী করে সীমান্ত হত্যা, পুশইন, কাঁটাতার স্থাপন, মাদক ও মানবপাচার প্রতিহত করা, মিয়ানমার সীমান্তে অস্থিতিশীলতা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিজিবির দায়িত্বশীল ভূমিকা বাহিনীটির বিষয়ে জনমনে আস্থা ফিরিয়েছে, নতুন ভরসাও জাগিয়েছে

নিরাপত্তার আড়ালে দীর্ঘ সঙ্ঘাত

নিরাপত্তার আড়ালে দীর্ঘ সঙ্ঘাত

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখন শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতির দিকে তাকালে হবে না; বরং এই অবিশ্বাসের জট খোলার জন্য শক্তিশালী সংলাপে জোর দিতে হবে। অন্যথায় লেবানন, গাজা বা পশ্চিমতীর— সবই হবে এক দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার অন্তহীন চক্র, যার খেসারত দিতে হবে পুরো বিশ্ববাসীকে। অশান্তির এই ধোঁয়াশার মধ্যেও কূটনীতির দরজা খোলা রাখাই হবে আগামীর জন্য একমাত্র আশার আলো

আওয়ামী লীগ : কংগ্রেসীয় উত্তরাধিকার

আওয়ামী লীগ : কংগ্রেসীয় উত্তরাধিকার

আর কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা মনোরঞ্জন ধর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যোগ দেন এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে কংগ্রেস দলের কার্যত বিলুপ্তি ঘটান। আওয়ামী লীগ যেহেতু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নীতি ও আদর্শকে নিজেদের নীতি ও আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে সে কারণে বাংলাদেশে কংগ্রেসের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়। সে হিসেবে আওয়ামী লীগই হয়ে ওঠে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বাংলাদেশ শাখা।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিক

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিক

দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি, গবেষণা, পর্যটন, ব্যবসা ও যুব বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি পেলে রাজনৈতিক উত্তেজনা সহজে প্রশমিত করা সম্ভব। একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতায় উভয় দেশের সম্পর্কের লক্ষ্য হওয়া উচিত ‘সঙ্ঘাত ব্যবস্থাপনা’ থেকে ‘কৌশলগত ভারসাম্যে’ উত্তরণ। এমন একটি সম্পর্ক, যেখানে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক সম্মান, অ-হস্তক্ষেপ, ন্যায্যতা এবং শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তি হবে মূল ভিত্তি। শেষ পর্যন্ত শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে উভয় দেশের সামনে সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই

নামের কাঙালপনা

নামের কাঙালপনা

এটি এক অর্থে মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবনের সীমাবদ্ধতা অতিক্রমের আকাঙ্ক্ষা। সাধারণভাবে দেখা যায়, উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও প্রতিযোগিতামূলক স্বভাবের মানুষ প্রায়ই খ্যাতি ও প্রতিপত্তির দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েন। সৃজনশীল বা কর্মমুখী মানুষও খ্যাতি চাইতে পারেন, তবে তাদের মূল লক্ষ্য থাকে কাজের ঔৎকর্ষ; খ্যাতি হলো বাইপ্রোডাক্ট। অন্য দিকে কিছু মানুষ তুলনামূলকভাবে অন্তর্মুখী, আত্মতৃপ্ত বা আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করায় নাম-যশকে প্রাধান্য দেন না। তারা নামের কাঙাল নন; বরং ব্যক্তিগত শান্তি, অর্থপূর্ণ সম্পর্ক, জ্ঞানচর্চা বা নৈতিক জীবনকে বেশি মূল্য দেন।