উপসম্পাদকীয়

ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনের ইতিহাস

ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনের ইতিহাস

ভারতীয় উপমহাদেশে মিলাদুন্নবী প্রচলনকারী ছিলেন মোগল শাসকরা। ইসলামী অনুশাসনে মিলাদ, মিলাদুন্নবী প্রচলনকারী হলেন ফাতেমীয় শাসক মুয়িজলি দিনিল্লাহ। আর ভারতীয় উপমহাদেশে মিলাদ প্রচলনকারী মোগল সম্রাট হুমায়ুন ও সম্রাট আকবরের মা, তাদের অভিভাবক বৈরাম খাঁ। মোগল শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহের মাধ্যমে উপমহাদেশে সুন্নিদের মধ্যে মিলাদুন্নবীর প্রচলন হয়

বাজারের অদৃশ্য লড়াই : সিন্ডিকেটের ক্ষমতা ও কৌশল

বাজারের অদৃশ্য লড়াই : সিন্ডিকেটের ক্ষমতা ও কৌশল

সার্বিকভাবে, বাজার সিন্ডিকেট কেবল অর্থনৈতিক কৌশল নয়; এটি একটি নৈতিক, রাজনৈতিক এবং দার্শনিক চ্যালেঞ্জ। এটি স্পষ্ট যে, বাজার তখনই কার্যকর হয় যখন তার ভিত্তি হয় স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়। যেখানে সিন্ডিকেটের পক্ষে রাজনৈতিক সুরক্ষা থাকে, তথ্যের অসমতা থাকে এবং শক্তির সমন্বয় থাকে, সেখানে বাজার হয়ে ওঠে মানুষের বিশ্বাস, প্রত্যাশা এবং ক্ষমতার ওপর পরিচালিত এক নিয়ন্ত্রিত বাস্তবতা। সে জীবনের জন্য তৈরি করে নাভিশ্বাস

সমমর্যাদার বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারত্ব

সমমর্যাদার বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারত্ব

বাংলাদেশের কূটনীতি ভারতবিরোধিতা কিংবা ভারতনির্ভরতার মধ্যে আটকে থাকবে না। আমরা ভারতের ন্যায্য উদ্বেগ শুনব, নিজেদের ন্যায্য অধিকার দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করব এবং চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মুসলিমবিশ্ব, জাপান, আসিয়ান ও ব্রিকসভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক সম্প্রসারণ করব। শক্তিশালী অর্থনীতি, জাতীয় ঐক্য ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানই সফল কূটনীতির মূল পুঁজি। দিল্লি সফরের সার্থকতা ছবিতে নয়, ফিরে আসার পর বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, সীমান্তবাসী, রোগী ও তরুণ কী পেলেনÑ সে হিসেবেই নির্ধারিত হবে। সমমর্যাদার প্রতিবেশিতা, জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা এবং পরিমাপযোগ্য অর্জনÑ এই তিন নীতিই হোক নতুন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি।

পর্যটনের বিকাশে চাই সমন্বিত উদ্যোগ

পর্যটনের বিকাশে চাই সমন্বিত উদ্যোগ

বাংলাদেশে সরকারিভাবে যে সংস্থাটি পর্যটন শিল্প বিকাশে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেটি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। বর্তমানে সংস্থাটির কার্যক্রম কয়েকটি হোটেল ও মোটেল পরিচালনা এবং গাইড ট্যুর আয়োজনে সীমাবদ্ধ। যে আশা ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, তা অর্জন করতে না পারায় এর কার্যক্রম সঙ্কুচিত করে কয়েকটি হোটেল ও মোটেল ভাড়ার ভিত্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

দিল্লির ‘বড়ভাইসুলভ’ আচরণ, ঢাকার জবাব

দিল্লির ‘বড়ভাইসুলভ’ আচরণ, ঢাকার জবাব

দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের উত্তর অনেকটা নির্ভর করছে এই দু’টি প্রশ্নের ওপর। দিল্লির আমন্ত্রণ থাকতে পারে; কিন্তু ঢাকারও শর্ত থাকতে পারে। এটিই স্বাভাবিক কূটনীতি। এটিই সার্বভৌম রাষ্ট্রের অধিকার। সবচেয়ে বড় কথা, প্রতিবেশী বড় হলেই ‘বড়ভাই’ হয়ে যায় না। ভালো প্রতিবেশী হতে হলে আগে সমমর্যদায় দেখতে হবে। বাংলাদেশ এখন সেই সমতা ও মর্যাদাটিই চাইছে।