সিলেটে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী

চা-বাগানগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে

‘চা-বাগানের গর্ব যারা, সম্মাননা পাবে তারা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মালনীছড়া চা-বাগানে বিভিন্ন চা-বাগানের চা শ্রমিক পরিবারের এসএসসি উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের ‘কৃতী সম্মাননা ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।

এমজেএইচ জামিল, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
সিলেটে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
সিলেটে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী |নয়া দিগন্ত

‘চা-বাগানের গর্ব যারা, সম্মাননা পাবে তারা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মালনীছড়া চা-বাগানে বিভিন্ন চা-বাগানের চা শ্রমিক পরিবারের এসএসসি উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের ‘কৃতী সম্মাননা ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, চা শ্রমিক পরিবারের সন্তানরা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে পড়ালেখায় এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের এ সাফল্য চা-বাগান এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে এই তরুণরাই আগামী দিনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে জায়গা করে নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, চা-বাগানগুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নে ইতোমধ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে। এটি সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ।

৬ নম্বর টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ক্লাব সদস্য ড. খন্দকার মুমিনুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাক্কাতুরা চা-বাগানের এজিএম আজম আলী, ভ্যালি সভাপতি রাজু গোয়ালা, মো. ফখরুজ্জামান, সাহেদুর রহমান বাবলা, আব্দুল হান্নান, অ্যাডভোকেট রানা, পাবেল আহমদ, জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট কামাল আহমদ, লিয়াকত হোসেন, ইমরান আহমেদ চৌধুরী, মালেক আহমদ, হাবিবুর রহমান জুনেদ, ইসা তালুকদার, আমিনুল ইসলাম, ফয়সল আহমদ ও রশিদ আহমদ।

অনুষ্ঠানে চা শ্রমিক পরিবারের এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করে তাদের উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি চা-বাগান এলাকার শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।