লোড হচ্ছে...
বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের দুটি গ্যাস স্থাপনা ও একটি পাইপলাইনে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে এমনটিই দাবি করা হয়েছে। ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, “জায়নবাদী ও মার্কিন শত্রুদের চলমান হামলার অংশ হিসেবে ইসফাহানের কাভেহ সড়কে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস চাপ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে (রেগুলেশন স্টেশন) হামলা চালানো হয়েছে।”
২৪ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলার পর ইসরায়েল এখন ইরানকে 'খণ্ড-বিখণ্ড' বা ভাগ করার চেষ্টা করছে। ফারস নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, "নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বড় দেশগুলোকে ভেঙে ফেলা ছাড়া ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।"
১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির পোস্ট করা একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষ শোক পালন শুরু করেছেন। ভিডিওতে মানুষকে বুক ও মাথায় চাপড়াতে (মাতম করতে) দেখা গেছে, যা ইরানে শোক প্রকাশের প্রচলিত প্রথা। তেহরান টাইমস পত্রিকার তথ্যমতে, লোরেস্তান প্রদেশেও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গেছে। রাজধানী তেহরানসহ ইয়াসুজের মত বিভিন্ন শহরে শোক পালন করছে হাজার-হাজার মানুষ।
১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) জানিয়েছে, শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সেনাপ্রধান আব্দুল রহিম মুসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ নিহত হয়েছেন। আমরা আগেই যেমনটি জানিয়েছিলাম, ইরান এর আগে সর্বোচ্চ নেতা খামেনি, তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং আইআরজিসি-র প্রধান কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে।
১ মার্চ, ২০২৬
গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে বুরেজ শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণের খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় দুটি পুলিশ পোস্টে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এই উপত্যকায় ইসরায়েলের দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ অব্যাহত থাকার মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইসরায়েলি নেসেট (সংসদ) একটি বিল পাসের চেষ্টা চালাচ্ছে, যা পাস হলে দখলদার কর্তৃপক্ষ আইনগতভাবে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দিতে পারবে। এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলের খুব একটা নজর কাড়েনি, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের জন্য এটি আরেকটি ভয়াবহ বিভীষিকার ইঙ্গিত। ২০২২ সালের শেষের দিকে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকার গঠনের যে চুক্তি হয়েছিল, এই বিলটি তারই অংশ। বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এই দাবি তুলেছিলেন, যিনি গত তিন বছর ধরে পশ্চিম তীরে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন।
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রমজানের তৃতীয় দিনে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুইজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। চার মাসেরও বেশি সময় আগে হামাসের সঙ্গে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির এটি সর্বশেষ লঙ্ঘন। শনিবার উত্তর গাজার জাবালিয়া ক্যাম্প এবং দক্ষিণ গাজার কিজান আন-নাজ্জার এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে তার 'বোর্ড অফ পিস' (বিওপি)-এর প্রথম বৈঠক ডাকেন। কিন্তু গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কূটনৈতিক ভাষা বা রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে কোনো আলোচনা ছিল না। মধ্য ও দক্ষিণ গাজার রাস্তাঘাট এবং তাঁবুতে—যেখানে লাখো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে—সবার মুখে একটাই প্রশ্ন: এই কঠোর বাস্তবতায় আসলে কি কোনো পরিবর্তন আসবে?
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা উপত্যকা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পুরো শহরের বিভিন্ন এলাকা মাটির সাথে মিশে গেছে। সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ গ্রিড এবং ব্যাপক অনাহার রোধে খাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে বিধ্বস্ত এই এলাকার জন্য চকচকে নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম? হ্যাঁ, অন্তত ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তেমন প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছে।
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের প্রকৃত মানবিক মূল্য পূর্বের সরকারি হিসাবকে অনেক ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সাময়িকীগুলোতে প্রকাশিত স্বাধীন গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালের শুরুর দিকেই "সহিংস মৃত্যু"র সংখ্যা ৭৫,০০০-এর বেশি।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে নিন্দা এবং আন্তর্জাতিক আইনকে তোয়াক্কা না করে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েল পশ্চিম তীরের 'কার্যত সংযুক্তি' (de facto annexation) কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছে। ১৯৬৭ সাল থেকে অবৈধভাবে দখল করা এই ভূখণ্ডে ৩০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ বিস্তার এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশাল অংশকে ইসরায়েলি "রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি" হিসেবে দাবি করার পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের ৮০টিরও বেশি সদস্য রাষ্ট্র। মঙ্গলবার ৮৫টি সদস্য রাষ্ট্র এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার জোটের পক্ষে কথা বলার সময় জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর বলেন, "আমরা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বেআইনি উপস্থিতি বিস্তারের লক্ষ্যে নেওয়া একতরফা সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।"
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে, অন্যথায় ইসরায়েল তাদের গণহত্যামূলক যুদ্ধ পুনরায় শুরু করবে—ইসরায়েলি সরকারের এক কর্মকর্তার এমন হুমকি প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। সোমবার হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মাহমুদ মারদাবি ‘আল জাজিরা মুবাশের’কে বলেন, এ ধরনের কোনো দাবির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো দখলকৃত পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করার ইসরায়েলের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও জমি বেদখলকে ত্বরান্বিত করবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়া সংলগ্ন লেবানন সীমান্তের কাছে একটি যানবাহনে ইসরায়েলি বাহিনী বোমা হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।সোমবার ভোরে এই বিমান হামলাটি চালানো হয় বলে মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে খালেদ মোহাম্মদ আল-আহমদ নামে একজন সিরীয় নাগরিক রয়েছেন।
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা জুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন হামলায় অন্তত ৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এটি গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া "যুদ্ধবিরতি" চুক্তির আরও একটি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রোববার এই হামলাগুলো এমন এক সময়ে চালানো হয়েছে যখন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননেও বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, তারা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে এসব হামলা চালিয়েছে।
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ পাকাপোক্ত করার সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই পদক্ষেপগুলো কার্যত "ফিলিস্তিনি জনগণের ভূমি দখল বা সংযুক্তিকরণের (annexation) সামিল"।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গত মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (WEF) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা এবং ধনকুবের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জ্যারেড কুশনার ‘নতুন গাজা’ নিয়ে তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তার কল্পনায় ছিল চকচকে আকাশচুম্বী অট্টালিকা, সমুদ্রতীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্র এবং একটি লজিস্টিক্যাল করিডর—যা নিরস্ত্রীকৃত গাজাকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করবে। কিন্তু সেখান থেকে ৩,০০০ কিলোমিটার (১,৮৬৪ মাইল) দূরে গাজা উপত্যকার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বোমাবিধ্বস্ত ধুসর সেই জনপদে একটি ইটও গাঁথা হয়নি। ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডের বর্তমান বাস্তবতা নতুন কোনো ভবন দিয়ে মাপা হচ্ছে না, বরং মাপা হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের ওজনে—যা প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ টন। অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি ভঙ্গুর ‘যুদ্ধবিরতি’ হওয়ার পর ইসরায়েলি বিমান হামলা হয়তো কমেছে, কিন্তু হত্যাকাণ্ড থামেনি। এটি একটি নতুন ও নীরব যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজায় ফিলিস্তিনি দলগুলোকে নিরস্ত্র করার আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন হামাসের বিদেশের রাজনৈতিক শাখার প্রধান খালেদ মেশাল। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন যে, দখলদারিত্বের শিকার কোনো জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নেওয়া হলে তারা ‘সহজ শিকারে’ পরিণত হবে এবং তাদের নির্মূল করা সহজ হয়ে যাবে।
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা যুদ্ধে বন্দিদশায় নিহত ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সেনা কর্পোরাল নোয়া মার্সিয়ানোর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হামাসের এক সশস্ত্র যোদ্ধাকে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করার দাবি করেছে ইসরায়েল। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

