লোড হচ্ছে...
শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত— কিন্তু এই উদযাপন তখনই অর্থবহ হবে যখন প্রতিটি শিশুর জন্য সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত হবে। জিয়াউর রহমান যে দূরদৃষ্টি নিয়ে শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই দূরদৃষ্টির পূর্ণ বাস্তবায়ন আজও সুদূরপরাহত। দেশের ৬৪ জেলায় শিশু একাডেমির শাখা থাকলেও অধিকাংশই অবকাঠামোগত দুর্বলতা, জনবল সঙ্কট ও বাজেট স্বল্পতায় কার্যত নিষ্ক্রিয়। প্রতিটি শিশুর অন্তরে যে পিতা ঘুমিয়ে আছে— সেই পিতাকে জাগাতে হলে রাষ্ট্রকে ঘুম ভাঙাতে হবে। শিশুর প্রতি বিনিয়োগ কেবল মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তও— কারণ আজকের অবহেলিত শিশু আগামীর অসক্ষম নাগরিক, আর আজকের সুরক্ষিত শিশু আগামীর সমৃদ্ধ জাতির স্থপতি। যে জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছে, সেই স্বপ্নের সার্থক রূপায়ণ নির্ভর করে প্রতিটি শিশুর অন্তরে ঘুমিয়ে থাকা পিতাকে জাগিয়ে তোলার ওপর এবং সেই দায়িত্ব রাষ্ট্রের, সমাজের, আমাদের সবার
৩ ঘণ্টা ২৩ মিনিট আগে

কয়েক দিন আগে হাসিনা আসার ব্যাপারে সরকারের একজন মন্ত্রী ঘোষণা দেন, কেউ পানি ঘোলা করার চেষ্টা করলে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর দু’দিন পর প্রতিবেশী দেশের মাননীয় রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার ব্যাপারে প্রকাশ্যে যেসব মন্তব্য করেছেন সে বিষয়ে সরকারের নীরবতা ধোঁয়াশা তৈরি করছে। বাজারে জোর গুজব, ইতোমধ্যে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও ‘র’ প্রধান গোপনে ঘুরে গেছেন এদেশ।
৩ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট আগে

সমাধানের শুরু হতে হবে প্রকৃত মালিকানা স্বচ্ছ করার মাধ্যমে। কোন ব্যাংকের প্রকৃত মালিক কে, কোন কোম্পানি কার সাথে সম্পর্কিত এবং একই গোষ্ঠীর মোট ঋণ ও সম্মিলিত ঝুঁকি কত, এসব তথ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে হালনাগাদ থাকতে হবে। কাগজপত্রে কোম্পানি আলাদা হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ একই হাতে থাকলে ঝুঁকির হিসাবও একসাথে করতে হবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণের সীমা, একই জামানতের বিপরীতে একাধিক ঋণ, অস্বাভাবিক আন্তঃকোম্পানি অর্থ স্থানান্তর, দ্রুত ঋণ বৃদ্ধি, বারবার পুনঃতফসিল এবং বড় বিদেশী লেনদেনকে আগাম সতর্কতার সঙ্কেত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে
৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট আগে

আমাদের তরুণরা শিক্ষা কিংবা চাকরির প্রয়োজনে, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাবে। জীবিকার তাগিদে মেক্সিকোর জঙ্গল, ভূমধ্যসাগর কিংবা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে আর লাশ হয়ে ফিরবে না। অন্য দিকে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা, ঘুমিয়ে থাকা পাসপোর্টের মান অদূর ভবিষ্যতে নর্থ কোরিয়া কিংবা আফগানিস্তানের সারিতে নামিয়ে আনলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
৩ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট আগে

সরকারের উচিত নীতি ও বাস্তবায়নের দ্বৈত অবস্থান থেকে সরে আসা। সেই সাথে চারা রোপণের বিশাল পরিসংখ্যান দেখানোর পাশাপাশি বিদ্যমান সবুজ ও পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষরাজি রক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়ন করা। এটি প্রয়োগ এখন খুব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। মনে রাখা দরকার, প্রকৃতি ধ্বংস করে যে উন্নয়ন; তা কখনো দীর্ঘমেয়াদে প্রাণবৈচিত্র্যের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। প্রাণবৈচিত্র্য অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন নকশায় সবুজ রক্ষা করে দেশের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করা হোক এখনকার নীতি।
৩ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট আগে

আমরা মনে করি, বহর যোগ হওয়ার আগেই নতুন পাইলট, অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও দক্ষ ক্রু তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সিলেট ও কক্সবাজারের মতো বন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের হ্যাঙ্গার সুবিধা বাড়াতে হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আমলাতান্ত্রিক অচলাবস্থা থেকে বের করে আন্তর্জাতিক পেশাদারিত্ব, প্রযুক্তিগত ঔৎকর্ষ ও বাণিজ্যিক দক্ষতার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।
৩ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট আগে

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সংস্কারের সুপারিশ ছাড়াও বাস্তব করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে— সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতাধীন একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং ফ্যামিলি কার্ডের সাথে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে সমন্বয় করা হলে অতিরিক্ত সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব। মূলত ২০১৯-২০ সালের বিপর্যয়কর কোভিড মহামারীর সময় থেকেই বাংলাদেশে গরিবির হার বৃদ্ধির প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক খাতে সংস্কার ও শত ভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া উত্তরণের কোনো উপায় নেই। এই বাস্তবতা সরকার যত দ্রুত অনুধাবন করবে দেশ ও জাতির জন্য ততই মঙ্গল।
১ দিন আগে

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সুনাম রক্ষা করতে হলে কোনো তালি দেয়া সাময়িক পদক্ষেপ নয়; বরং প্রয়োজন আমূল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আসার সঠিক সময়ের সাথে ট্রলি মেলানো, লাগেজ কাটা ও চুরির জন্য দায়ী অসাধু সিন্ডিকেট নির্মূল করা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য যুক্তিসঙ্গত বিকল্প পথ উন্মুক্ত রাখা এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হতে পারে এ অচলাবস্থা দূরের একমাত্র পথ। দেশের প্রবাসী আয় এবং বিদেশী পর্যটকদের কাছে প্রথম ইম্প্রেশন হিসেবে এই বিমানবন্দরকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং যাত্রীবান্ধব সেন্টারের উপযোগী করতে প্রশাসনিক জবাবদিহি ও সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
১ দিন আগে

দরকার বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করা। মুষ্টিমেয় করপোরেট গ্রুপের হাতে ভোজ্যতেল, চিনি বা ছোলার মতো জরুরি পণ্যের এলসি (LC) ও আমদানি সুবিধা সীমিত না রেখে, মাঝারি ও নতুন ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ ও লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করা। দরকার প্রতিযোগিতা কমিশনকে (Competition Commission) শক্তিশালী করা : দেশে একটি প্রতিযোগিতা কমিশন আইন আছে। কিন্তু কার্যকারিতা নেই। এই কমিশনকে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় পরিণত করা হলে তা একচেটিয়া ব্যবসা বা বাজারে জোটবদ্ধ হয়ে দাম নির্ধারণের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে পারবে। টিসিবির সংস্কার, বিকল্প বাজার শক্তি (Countervailing Force) গড়ে তোলা, যাতে সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ রাখা হবে। সিন্ডিকেট কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা করলে, সরকার বাজারে কম দামে পণ্য ছেড়ে তাদের কারসাজি ব্যর্থ করে দিতে পারবে। একই সাথে বিশেষ ব্যবস্থা যেমন— সরকারি কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপন, আমদানিকৃত পণ্য বন্দর থেকে খালাস হওয়ার পর কোন আড়তে যাচ্ছে, তা ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা, কৃষকরা যাতে সরাসরি পণ্য বাজারজাত করতে পারে সে জন্য কৃষি বাজারের মতো বাজার প্রতিষ্ঠা করে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য দূর করার মতো পদক্ষেপ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা।
১ দিন আগে

বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রধান শক্তির জায়গা ছিল আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে ‘নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী’ হিসেবে চার দশকের সুনাম। এই অর্জন হাতছাড়া হতে দেয়া যাবে না। জ্বালানি সঙ্কটের দ্রুত সমাধান, আধুনিক লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী পণ্যের সুপরিকল্পিত রূপান্তরই পারে ঝড়ের মুখে পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে।
২ দিন আগে

প্রশিক্ষণ কোনো লক্ষ্য নয়, কর্মসংস্থানে পৌঁছানোর মাধ্যম মাত্র। সরকারি বিপুল অর্থের সাফল্য সনদ বিতরণে নিহিত নয়; বরং কতজন বেকারের স্থায়ী কর্মসংস্থান হলো। কতজন নারী নিজস্ব ব্যবসা দাঁড় করাতে পারলেন। কতজন বিদেশী শ্রমবাজারে শক্ত অবস্থান পেলেন তার ওপর নির্ভর করছে সাফল্য। সঙ্গতকারণে আমরা বলতে চাই, প্রকল্পটি যেন আমলাতান্ত্রিক ও প্রথাগত বৃত্তে আটকে না যায়। মূল অর্থ যেন আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় না হয়ে দক্ষতা অর্জনে ব্যবহৃত হয়।
২ দিন আগে

আজকের বাস্তবতায় বাংলাদেশকে তার নিরাপত্তা মানচিত্র নতুন করে আঁকতে হবে। হরমুজ প্রণালী, পারস্য উপসাগর, পাকিস্তান, ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর এবং রাখাইন— এই পুরো অঞ্চলকে একটি সমন্বিত ‘নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক শৃঙ্খল’ হিসেবে বিবেচনা করে জাতীয় কৌশল প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি মজুদ বৃদ্ধি, খাদ্য শস্যের বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষা এবং সক্রিয় ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতিই বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের যেকোনো ভূরাজনৈতিক ঝড় থেকে রক্ষা করতে পারে
২ দিন আগে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এমন এক যুগে প্রবেশ করেছে যার কোনো সুস্পষ্ট পূর্বদৃষ্টান্ত নেই। বাংলাদেশ যে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেশী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, সে রাষ্ট্র আর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে না; আর যে সংগঠন সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে, সেটি একই সাথে সম্ভাব্য সহযোগী, নিরাপত্তা-ঝুঁকি, জাতিগত-জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং স্বীকৃতিপ্রত্যাশী একটি প্রকৃত কর্তৃপক্ষ। কিন্তু স্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ, শক্তিশালী সীমান্ত প্রতিরক্ষা, সুস্পষ্ট রেডলাইন এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষার প্রতি দৃঢ়অঙ্গীকার। সীমান্ত বদলে গেছে; এখন বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াই আগামী এক প্রজন্মের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।
২ দিন আগে

রিপাবলিকানদের হাতে ৭৩ বিলিয়ন ডলার আটকে দেয়ার জন্য শুধু এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়টুকুই থাকবে, যা তাদের বিপক্ষে কাজ করতে পারে। পেন্টাগনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট বলেছেন, ইরান যুদ্ধ ও অস্ত্রের জন্য অর্থায়নের সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের আগে প্রত্যাশিত নয় এবং ২০২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট সিদ্ধান্ত এক বছর পিছিয়ে যেতে পারে। এর তাৎপর্য সহজবোধ্য। হার্স্টের সময়সূচি থেকে বোঝা যায়, অর্থায়নের লড়াই ডিসেম্বরের আগে শুরু নাও হতে পারে এবং তা ৩ জানুয়ারির পরও যেতে পারে। সুতরাং ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে এই কংগ্রেসকে সুরক্ষিত করার জন্য রিপাবলিকানদের হাতে হয়তো মাত্র চার সপ্তাহ সময় থাকবে
২ দিন আগে

একটি জাতি কতটা সভ্য ও প্রগতিশীল, তা নিরূপিত হয় তার শিশু ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার স্তরের ওপর ভিত্তি করে। কেবল আইন প্রণয়ন করে কিংবা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে প্রবীণবান্ধব পার্ক, কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্রের পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত রোগ নিরাময়ে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।
২ দিন আগে

শিল্প-বাণিজ্যিপ্রতিষ্ঠান, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন খাতেও এলপিজির ব্যবহার আছে। বছরে সবমিলিয়ে চাহিদা ১৭-১৮ লাখ টন। আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন মিলে এর পুরোটা জোগান দেয়া যায় না। কাগজ-কলমে কিছুটা ঘাটতি দেখা যায়। কিন্তু বাজারে যেভাবে এর দুষ্প্রাপ্যতা লক্ষ করা যায়, সেটি অস্বাভাবিক। দেশের ৩২টি প্রতিষ্ঠানের এলপিজি আমদানির অনুমোদন আছে। এর মধ্যে ১৫টি আমদানি করে। বাজারে এদের মধ্যে দাম নিয়ে প্রতিযোগিতা দেখা যায় না। একধরনের অশুভ চক্রের ছায়া দেখা যায়। বাজার থেকে সিলিন্ডার একসাথে উধাও হয়ে যেতে দেখা যায়। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে এর সরবরাহ না পাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে হাহাকার পড়ে যায়। এরপরে দেখা যায়, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে এর সরবরাহ মিলছে।
৩ দিন আগে

নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আগের সরকারের আমলে নেয়া প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে। কিন্তু সেটি করতে গিয়ে পুরো উন্নয়ন কাজ ঝুলিয়ে রাখা উচিত নয়। সিদ্ধান্তহীনতায় শেষ তিন মাসে বাজেট খরচ করার তাড়াহুড়ো লেগে যাওয়ার শঙ্কা থেকে যায়। পুরনো এ অপচর্চা নতুন করে ফিরে আসুক, সেটি কাম্য নয়। এতে কাজের মান ঠিক রাখা যায় না। সেই সাথে অপচয় হয় সরকারি অর্থের।
৩ দিন আগে

কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক ঢাকার যে একক আধিপত্য এর অবসান হওয়া দরকার। এটিকে জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দিতে হবে। সব জেলায় তৈরী পোশাকশিল্প গড়ে তুলতে হবে বিষয়টি তেমন নয়; বরং প্রতিটি জেলার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সেই জেলাগুলোতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী দেশের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোকে এ কাজে সরকারকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে। জেলাকেন্দ্রিক পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলে ঢাকায় জনস্রোত অনেকটাই কমানো সম্ভব।
৪ দিন আগে

সংখ্যালঘুদের ওপর পীড়নকারীদের দৃষ্টান্তমূলত শাস্তি হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এরা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আশকারা পায়। ভারতে এ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন ও বঞ্চনা ক্রমেই বাড়ছে। সেখানে তাদের কোণঠাসা করে ফেলা হচ্ছে। ভারতীয় শাসকরা এর ভয়াবহ নেতিবাচক দিক অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় একসময় পুরো অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৪ দিন আগে

আইনশৃঙ্খলার সাথে ব্যক্তিনিরাপত্তার, ব্যক্তিনিরাপত্তার সাথে সামাজিক নিরাপত্তার, সামাজিক নিরাপত্তার সাথে আয় উপার্জনের সব কার্যক্রমের কার্যকারণগত সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চাই আয় উপার্জনের সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা কর্মদক্ষতাকে, স্বাস্থ্যসেবা কর্মক্ষমতাকে, কর্মদক্ষতা ও কর্মক্ষমতা উৎপাদন ও ব্যবসাবাণিজ্যে প্রসার ঘটবে— এটিই প্রত্যাশা। সর্বত্র সেই পরিবেশের সহায়তা একান্ত অপরিহার্য যেখানে সীমিত সম্পদের ও সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। একটিকে উপেক্ষা মানে যুগপৎভাবে অন্যান্য অনেক সমস্যাকে ছাড় দেয়া
৪ দিন আগে


