লোড হচ্ছে...
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (১৫.০° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৮° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। গত মধ্যরাতে এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।
৭ দিন আগে

বিডব্লিউওটি জানায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আগামী তিন থেকে চার দিন ক্রমান্বয়ে শক্তিশালী হতে পারে। এর গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি নিম্নচাপে এবং পরবর্তী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
৯ দিন আগে

নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর, পূর্বমধ্য ও উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উত্তর আন্দামান সাগর ও এর কাছাকাছি মিয়ানমার উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি আরো এগিয়ে আগামী দু-তিন ঘণ্টার মধ্যে মিয়ানমারের কিয়াইকতো এলাকার ওপর দিয়ে স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংস্থাটি জানায়, গতকাল বুধবার মধ্যরাতে গভীর নিম্নচাপটি ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ-দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি উপকূলীয় এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরো পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংস্থাটি জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরো পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


