লোড হচ্ছে...
জাকসুর এক বছর মেয়াদ শেষে ঘোষিত প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কতটুকু সফলতা হয়েছে, কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে তার মূল্যায়ন হওয়া উচিত। এ বিষয়ে জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের কিছু মৌলিক সমস্যা ছিল— অটোমেশন, একাডেমিক সংস্কার, ট্রান্সপোর্টেশনের সুবিধা এবং একই সাথে মেডিক্যালের একটা সংস্কার। এই চার জায়গায় জাকসু তার কন্ট্রিবিউশন রেখেছে। তবে নারী শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় কিছু কাজ হলেও অনেক বড় প্রকল্প থমকে গেছে বাস্তবায়নের অভাবে। জাকসুর এক কার্যকরী সদস্য থেকে জানা যায়, প্রতিটি খাতে কাজগুলো আটকাচ্ছিল। কখনো প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব। কখনো বাজেট ঘাটতি। যখন নির্বাচিত সরকার এলো, তখন দেখা গেল যে দলীয়করণ হচ্ছে খুব জোরে। জাকসুর বেশ কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। জাকসু সীমিত রিসোর্সের মধ্যে সর্বোচ্চ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসব বিষয় নিশ্চয় মূল্যায়ন করবেন। এগুলোর ভালো-মন্দ বিচার করবেন। নির্বাচনে জয়ী ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস মাজহারুল ইসলামসহ অন্য সদস্যদের স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা শিক্ষার্থীদের নজর কেড়েছে। তারা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেয়া, মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিলেন; যা আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরিতে উদাহরণ হিসাবে থাকবে বলে শিক্ষার্থীদের বড় অংশ মনে করেন।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘জাকসুর মেয়াদের শেষ সময়ে এটি আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগ। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য একটি কম্পিউটার সেটআপ করে দেয়া হয়েছে।’
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘শিক্ষক মূল্যায়নসহ জাকসুর কয়েকটি দাবির বিষয়ে কাজ করতে বিশ্ববিদ্যালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর এখতিয়ার জাকসুর নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব।’
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


