লোড হচ্ছে...
বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাড়া সাধারণভাবে ইতিবাচক। তবে প্রতিশ্রুতির অর্থ হাতে আসা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হওয়ার মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তথ্য সেই পার্থক্যকেই সামনে এনেছে। এক দিকে নতুন প্রতিশ্রুতির অঙ্ক বেড়েছে, অন্য দিকে প্রকল্প সহায়তার অর্থছাড় কমেছে প্রায় ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের চাপও বেড়েছে।
৬ দিন আগে

এডিপির সাফল্য শুধু বরাদ্দের আকার দিয়ে বিচার করা যায় না। প্রকল্প সময়মতো শেষ হচ্ছে কি না, ব্যয়ের বিপরীতে বাস্তব অগ্রগতি কতটা, সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ছে কি না এবং জনগণ নির্ধারিত সময়ে সুফল পাচ্ছে কি না- এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের পরিসংখ্যান তাই শুধু ব্যয়ের হিসাব নয়; উন্নয়ন প্রকল্প ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা মূল্যায়নেরও একটি সুযোগ।
৭ দিন আগে

বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট। আর প্রকৃত উৎপাদন ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট। প্রকৃত উৎপাদন ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট।
২২ দিন আগে


