লোড হচ্ছে...
জনগণের সর্বশেষ আস্থা ও ভরসার দুটি জায়গা হচ্ছে— সুপ্রিম কোর্ট ও সশস্ত্র বাহিনী। কিন্তু বর্তমানে সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে মারাত্মকহারে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে অপপ্রচার থেকে মুক্ত রাখতে হবে। এছাড়া অপতথ্য মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রস্তুতির তাগিদ দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
১৪ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট আগে

ওয়েবসাইটটি কবে নাগাদ পুনরায় চালু করা হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক
২ দিন আগে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার ঠেকাতে একটি সুসংগত ও কার্যকর সাইবার নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তবে তা যেন কোনোভাবেই মূলধারার বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ব্যাহত না করে, সে বিষয়টি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে অপতথ্য মোকাবিলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিটের নিয়মিত তথ্য যাচাই বা ‘ফ্যাক্ট চেক’ ভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।
৮ দিন আগে

সূত্র জানিয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার আসামি গুলশান আরার সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১৩ দিন আগে

এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ বলেন, বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাইবার সুরক্ষা, ব্যবস্থাপনা, জনবল ও দক্ষতার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে। একইসাথে বিমানবাহিনীর সব সদস্যকে সাইবার নিরাপত্তাকে কমান্ড পর্যায়ের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা ও অনুমোদিত নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
২৩ দিন আগে

ডিআইজি (ভারপ্রাপ্ত) মো: সাইফুদ্দিন শাহীন বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম একইসাথে বাস্তব ও ডিজিটাল দুই জগতেই বসবাস করছে। প্রযুক্তির বিস্তার মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করলেও এর সাথে সৃষ্টি হয়েছে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও অপরাধ। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি এর নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কেও সমানভাবে সচেতন হতে হবে।’
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন ও অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় ইউনিট পর্যন্ত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ও সাইবার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হচ্ছে।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি বা কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


