লোড হচ্ছে...
‘৩ নভেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দী করে আওয়ামী লীগ ও ভারতের মদদে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ যে প্রতিবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন, ৭ নভেম্বর বাংলার দামাল ছেলেরা তা রুখে দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী ইতিহাস অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখতে শেখ হাসিনার পতিত আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে বিকিয়ে দিয়েছিল।’
২ ঘণ্টা আগে

রাজশাহী শহরটা ব্যতিরেকে রাজশাহী বিভাগ এবং পুরো রংপুর বিভাগে কোনো উন্নয়ন দেখতে পাওয়া যায় না। হাইওয়ের কিছু রাস্তা পাকা হলেই বলে দেয়া যায় না যে ওই জেলা উন্নত হয়ে গেছে।
২১ দিন আগে

মতবিনিময় সভায় রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার সামনে উপস্থিত ছাত্রনেতৃবৃন্দের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ মুক্ত হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, পুরাতন জালেম আওয়ামী লীগ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নতুন করে প্রবেশ করতে চাইছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর ষড়যন্ত্র থেমে নেই। আগামীতে ত্রিমুখী লড়াইয়ে আমাদের অবতীর্ণ হতে হবে। জুলাই চেতনায় আধিপত্যবাদমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গঠনে আজকের ছাত্রনেতৃবৃন্দকে রাজপথে নেতৃত্ব দিতে হবে। আগামীর জাতীয় নেতৃত্বদানের মহান দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে। আমি আসন্ন অনিবার্য বিপ্লবের প্রস্তুতি গ্রহণে আপনাদের একত্র হওয়ার আহ্বান জানাই।’
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


