কলকাতায় পুলিশি বাধার সম্মুখীন তৃণমূলের যুব সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা
কলকাতায় পুলিশি বাধার সম্মুখীন তৃণমূলের যুব সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কলকাতা, বিহারের পাটনাসহ একাধিক জায়গায় মিছিল হয়েছে। পুলিশের বাধার মুখেও পড়তে হয়েছে মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের।

Advertisement

মঙ্গলবার কলকাতার রাজাবাজার থেকে মিছিলের ডাক দিয়েছিল সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের যুব সংগঠন। তবে তা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হতে হয় মিছিলকে। ব্যারিকেড করে মিছিলকে এগোতে বাধা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন দোলা সেন ও কুণাল ঘোষ।

কুণাল ঘোষ সাংবাদিকদের বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে তৃণমূলের মূলত ছাত্র-যুবরা মিছিলের ডাক দিয়েছিল রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত। এটা করতে দেবেন না বলে খোদ শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ছাত্র-যুবরা নিয়ম মেনে পুলিশকে মেইলও করে দিয়েছিল। আজ বিশাল সেন্ট্রাল ফোর্স নামিয়ে দিয়েছে। তো যে তৃণমূল দুর্বল, যে তৃণমূল না কি হেরে গিয়েছে তার ছাত্র-যুবদের ঠেকাতে এখানে দেখুন যুদ্ধের পরিবেশ।’

কলকাতা পুলিশ এ নিয়ে একটা সাংবাদিক সম্মেলন করে। সেখানে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা বলেছেন, ‘আমাদের কাছে মিছিলের কোনো খবর নেই। এই কারণেই সরকারিভাবে আমি জানি না কার মিছিল রয়েছে বা সেই মিছিলে কত লোক হবে। সেই মিছিল কোথায় শুরু হবে বা কোথায় শেষ হবে, সেটাও জানি না।’

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এই মিছিল নিয়ে মন্তব্য করেন। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘মিছিল না করাই উচিত ওর (মমতার ব্যানার্জীর)। ওকে আমি পরামর্শ দেবো, অনুরোধ করব আমি। উনি বয়সে বড়। এইগুলো না করাই ভালো। আর রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস কেন বেছে নিয়েছেন? আমি পুলিশকে বলব যেখানে শুরু, সেখানেই শেষ করে দিতে।’

এদিকে, বিহারের পাটনা শহরে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং রেভোলিউশনারি ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন মঙ্গলবার রাজভবন অভিমুখে মিছিল করে। বিক্ষোভকারীরা গান্ধী ময়দানের ১০ নম্বর গেট থেকে তাদের মিছিল শুরু করেন। মিছিল চলাকালে পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে।

আবার সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে প্রস্তাব পাস করেছে কেরালা বিধানসভা। জ্ঞানেশ কুমারকে তার পদ থেকে অপসারণ করার আহ্বান জানিয়ে এমন প্রস্তাব গ্রহণকারী এই রাজ্য বিধানসভাই প্রথম।

সূত্র : বিবিসি