হুমায়ুন কবির
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ছবি: ইন্টারনেট

পররাষ্ট প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীন ‘টু প্লাস টু’ সংলাপ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি এই ব্যবস্থাকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার অন্যতম সর্বোচ্চ স্তর হিসেবে উল্লেখ করেন।

আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আরো যোগাযোগের লক্ষ্যে বর্তমানে ‘টু প্লাস টু’ সংলাপের ভিত্তি প্রস্তুতের কাজ চলছে। তাই হ্যাঁ, উভয় পক্ষের সুবিধাজনক সময়ে খুব শিগগিরই এটি শুরু হবে।’

এর আগে, দিনের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই পক্ষ প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করার পাশাপাশি দ্রুত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা করে।

‘টু প্লাস টু’ মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপ হলো দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠক।

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা- উভয় মাত্রাকে একত্রিত করা প্রস্তাবিত এ ব্যবস্থার জন্য কোনো তারিখ নির্ধারিত হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করিনি। তবে ওই পর্যায়ে আলোচনা হবে।’

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘টু প্লাস টু’ ব্যবস্থা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গভীরতা এবং বাংলাদেশের বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক গুরুত্বের প্রতিফলন। তিনি বলেন, ‘এটি চীনের সাথে আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার সর্বোচ্চ পর্যায়ের অন্যতম একটি দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যখন এমন পর্যায়ে পৌঁছে, তখন চীনের অনুসৃত ‘অভিন্ন ভবিষ্যৎ সম্বলিত অভিন্ন সম্প্রদায়’ ধারণার পাশাপাশি ‘টু প্লাস টু’র মতো উদ্যোগ স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের অধীনে আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের কাছে বাংলাদেশের দৃশ্যমানতা ও গুরুত্বও বাড়ছে।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন চীন এখন এমন একটি ‘টু প্লাস টু’ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী, যেখানে পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’